বিশেষ সংবাদদাতা : সিভিল এভিয়েশন দুর্নীতির আখড়া। দুর্নীতির অভিযোগে ৫ প্রকৌশলী জেল খাটছেন।কক্সবাজার বিমানবন্দরের জেনারেটর বসানোর একটি ঠিকাদারি কাজে এই ৫ প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলায় তারা জেল খাটছেন।
সূত্র জানা গেছে, দুদক সিএএবির ১১টি খাত দুর্নীতিতে যুক্ত বলে চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে কনসালটেন্ট নিয়োগ। সিএএবির অর্গানোগ্রাম ব্যতীত প্রায় এক ডজন কনসালটেন্ট নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এদের বেতন মাসে ১ লাখ থেকে প্রায় ২ লাক টাকা জনপ্রতি সিএএবি কর্তৃপক্ষকে গুনতে হচ্ছে। এতে সরকারের বছরে কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে।
সিএএবিতে চাউড় হয়ে গেছে, অদক্ষ এ সব কনসালটেন্ট নিয়োগ দিয়ে মাথাভারি প্রশাসন করা হয়েছে। সরকারের
অতিরিক্ত সচিব- যারা সিএএবিতে সদস্য (প্রশাসন), সদস্য (অর্থ), পরিচালক ( প্রশাসন)- যারা সরকারের উপসচিব। এদের ওপর কনসালটেন্টরা ছড়ি ঘুরাচ্ছে। ফলে প্রশাসনের ভিতর প্রশাসন ঘুরপাক খাচ্ছে।
সূত্র মতে, নীরিহ কর্মচারিদের যারা পিআরএল-এ গেছেন- তাদের থেকে দাপ্তরিক কোন আদেশ ছাড়া মৌখিক আদেশে লাখ লাখ টাকার ক্যান্টিনভাতা কর্তন করে নিয়ে নাকি এ সব কনসালটেন্টদের বেতন-ভাতার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একজন নিরাপত্তা কনসালটেন্ট আছেন-যিনি শাহজালালে পিস্তল ঘটনা তদন্ত করছেন। ক্রমশ
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
