সিএএবি : সদস্য (নিরাপত্তা) পদে কি দুজন ? : পরিচালক (প্রশাসন)কেও সদস্য নিরাপত্তা পদে বদলি !

বিশেষ সংবাদদাতা : সিভিল এভিয়েশনে সদস্য (নিরাপত্তা) পদে সরকারের অতিরিক্ত সচিব শাহ মো. ইমদাদুল হক কর্মরত এবং বিদেশে থাকাবস্থায় সরকারের আরেক যুগ্ম সচিব সিএএবির পরিচালক প্রশাসন আবুল ফয়েজ মো. আলাউদ্দিন খানকে বদলি করা হয়েছে। কিন্ত সদস্য নিরাপত্তা পদে কর্মরত সরকারের অতিরিক্ত সচিব শাহ মো. ইমদাদুল হককে সিএএবি থেকে বদলি করা হয়নি। প্রশ্ন ওঠেছে তাহলে সদস্য নিরাপত্তা, সরকারের অতিরিক্ত সচিব শাহ মো. ইমদাদুল হক কি দপ্তরবিহীন, নাকি পরে অন্য কোথাও বদলি করা হবে , নাকি সিএএবিতেই সদস্য নিরাপত্তা পদে দুজনকেই রাখা হবে।এ সব প্রশ্ন সিএএবিতে ঘুরপাক খাচ্ছে। কারণ জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বদলির আদেশে সরকারের অতিরিক্ত সচিব শাহ মো. ইমদাদুল হককে কোথাও বদলি করা হয়নি।জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটে দেখা যায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বরের বদলির আদেশে সরকারের অতিরিক্ত সচিব শাহ মো. ইমদাদুল হকের নামই নেই।
সিএএবি সূত্রে জানা গেছে, সরকারের অতিরিক্ত সচিব এমদাদুল ইসলামকে প্রায় বছরখানেক আগে সিএএবিতে সদস্য নিরাপত্তা পদ সৃষ্টি করে এ পদে পদায়ন করা হয়। এ পদে পদায়নের পর তিনি নিরাপত্তা বিভাগ ঢেলে সাজিয়েছেন। নিরাপত্তা বিভাগে কর্মরত গার্ড থেকে শুরু করে নিরাপত্তা অফিসার পর্যন্ত সবার দাপ্তরিক কাজে সমন্ধয়হীনতা ঘটলে তা দ্রুত সমাধান করেছেন। একবার এক ডিএসওকে এফসেক কর্তৃক প্রশাসনিকভাবে নেহস্তা করলে তা তিনি পরিচালক , শাহজালালের সাথে কথা বলে সমাধান করেছেন। তার নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী এবং এফসেক-এর সাথে প্রশাসনিক দ্বন্ধ-এ নাকি তাকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। কারণ হিসেবে সূত্র জানায়, সদস্য নিরাপত্তা বিদেশে অবস্থানরত অবস্থায় তাকে হঠাৎ করে এ পদে অন্য আরেক জনকে বদলি করা হলো।
সূত্র জানায়, সাবেক চেয়ারম্যান নাইম হাসানের সময়ে ভয়াবহ নিয়োগ কেলেংকারির ঘটনা উৎঘাটন করেন সদস্য নিরাপত্তা। ভুয়া সনদে ৬ জনকে ভাইবা পরিক্ষার সময় গ্রেফতার করা হয়। দিনভর তাদেরকে নিরাপত্তা সেকশনে রাখার পর রাতে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেয়া হয়। এ নিয়ে বদলিকৃত সদস্য প্রশাসন –-এর সাথে দ্বন্ধ চরম আকার ধারণ করে। সদস্য নিরাপত্তা নিয়োগ ফাইলে স্বাক্ষর দিতো অপারগতা প্রকাশ করেন। এর ধারাবাহিকতা চলতে থাকে। নয়া চেয়ারম্যান, নয়া সদস্য অপস, নয়া সদস্য প্রশাসনের সাথে সদস্য নিরাপত্তার বনিবনায় প্রশাসনিক জটিলতার সৃষ্টি হয়। এর সাথে জড়িয়ে পড়ে এফসেকের প্রশাসনিক পদক্ষেপ। সিএএবির নিজস্ব নিরাপত্তা বিভাগ চলে যায় এফসেকের অধীন্ ে। নিরাপত্তা অফিসারদের সাথে ডিউটি নিয়ে এফসেকের প্রশাসনিক দ্বন্ধ , অফিসারদের দ্প্তরবিহীন করা, এফসেকের অধীনে ডিউট করা, ডিউটি রোস্টার করা- ইত্যাকার বিষয়ে এফসেকের সাথে জটিলতা বাড়তে থাকে। সদস্য নিরাপত্তা এ সব বিষয় নিয়ে মাঝেমধ্যেই পরিচালক শাহজালালের সাথে সমন্বয় করতেন। এ নিয়ে এফসেক প্রশাসন , পরিচালক শাহজালাল নয়া চেয়ারম্যানের নজরে আনেন।এরই জের হিসেবে সদস্য নিরাপত্তাকে বিদেশে থাকাবস্থায়ই তার পদে অন্যজনকে বদলি করা হলো। তিনি আর সিএএবির নিরাপত্তা বিভাগ ঢেলে সাজাতে পারবেন কি? এখন যাকে সদস্য নিরাপত্তা পদে বদলি করা হয়েছে- ওনাকে কাজ বুঝে ওঠতেও তো সময় লাগবে।