সিভিল এভিয়েশন : গেট কেলেংকারি, ১ বছরেও তদন্ত আলোরমুখ দেখছে না

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশনে সিভিল ডিভিশন-২-এ গেট কেলেংকারির তদন্ত প্রতিবেদন এক বছরেও আলোরমুখ দেখছে না। ফলে বিভাগীয় মামলায় ঝুলে আছেন ৮ প্রকৌশলী। এতে প্রশাসনিক জটিলতা দিন দিন বাড়ছে। সিভিল ডিভিশনে তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শূণ্য হয়ে পড়ছে। সবেধন নীলমনি একমাত্র কনফার্ম তত্বাবধায়ক প্রকৌশলীকে দিয়ে একটি প্রকল্পের পিডি ( থার্ড টার্মিনাল) এবং ঢাকার বাইরের ১০/১২টি এয়ারপোর্ট দেখভাল করানেৃা হচ্ছে।ৃ আর যারা দায়িত্বে আছেন তাদেরকে দিয়ে একটিং দায়িত্ব পালন করানো হচ্ছে। একটিং একজনকে কনফার্ম করা হচ্ছে না। আরো দুজন সিনিয়র নির্বাহি প্রকৌশলীকে পদোন্নতি দিয়ে তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী করা হচ্ছে না।এদের মধ্যে একজন বিভাগীয় মামলার বাইরে।
এ দিকে বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী এ বছরের শেষে পিআরএল-এ যাবেন। তখন সিভিল থেকে কাকে প্রধান প্রকৌশলী করা হবে –তা নিয়েও সিএএবি কর্তৃপক্ষকে ভাবতে হবে। ইএম-এ অবশ্য দুজন তত্বাবধায়ক প্রকৌশলীকে কনফার্ম করা হয়েছে। এদের মধ্যে বড়–য়া/ জাকারিয়া ভাল পারফর্মমেন্স দেখাচ্ছেন।
ইএম ডিভিশনে সহকারি প্রকৌশলী শাহিনুর আলমকে বার বার বদলি, কাগজে-কলমে যোগদান দেখানো হলেও এখনও শাহজালাল বিমানবন্দরে দায়িত্ব দিয়ে রাখা হয়েছে।শাহজালাল বিমানবন্দরের পরিচালক এ প্রকৌশলীর প্রতি নাখোশ হলেও তার অধীনেই তিনি দিব্যি আছেন।
এ দিকে সিনিয়র উপসহকারি প্রকৌশলী সানাউল্লাকে চট্রগ্রাম বিমানবন্দরে বদলি করা হয়েছে।ৃৃ
গত অর্থবছরে ঠিকাদার খুররমের ফার্মকে একাই ২২টি কাজের কার্যাদেশ দেবার পর চলতি অর্থবছরেও তাকে সিভিল/ইএম ডিভিশন মিলে প্রায় ৩শ’ কোটি টাকার ঠিকাদারি কাজ দেয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। তদন্ত কমিটি গঠিত হলেও তদন্ত আলোরমুখ দেখছে না। তিনি নাকি প্রকৌশলীদের দুদকের জুজুর ভয় দেখিয়ে থাকেন। নেপথ্যে জানা যায়, তার সহধর্মিণি নাকি দুদকের একজন কর্মকর্তার অফিসের কেরানিগিরি করেন। এ কর্মকর্তা সিএএবি/ বিমানের দুর্নীতি দেখভাল করে থাকেন।ৃ