সিভিল এভিয়েশন : সহকারি যোগাযোগ কর্মকর্তা সুমন সেনের এ্যাকশন

বিশেষ সংবাদদাতা : সিভিল এভিয়েশনে তিনি একজন সহকারি যোগাযোগ কর্মকর্তা, কিন্ত ভাব দেখান ডিডি লেভেলের। কর্মচারীদের কথায় কথায় হয়রানি করে থাকেন বলে কর্মচরীরা অভিযোগ করে থাকেন। কিন্ত কোন প্রতিকার পান না। এক কর্মচারীকে তো সোকজ করেই বসেছেন। তার উর্ধতন এক কর্মকর্তাও বললেন, তার হাবভাব অন্যরকম।
তিনি ডিডি কম.-এর অধীনে। ডিডি কম.ও এসব দেখেও না দেখার ভান করে থাকেন। ওই ডিডি কম. মাল খেয়ে এক তদন্ত প্রতিবেদনে সিএএবির এক মহিলা নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে সেইভ করা পায়তারা করছেন বলেও সিএএবিতে চাউড় হয়ে গেছে।
সিএএবিতে ওই সহকারি যোগাযোগ কর্মকর্তার সুমন সেন। তিনি কি ব্যাচেলার না বিবাহিত তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠেছে। থাকেন কাওলার স্টাফ কোয়ার্টারের ডরমেটরিতে। অনেকে বলেন তিনি বিয়ে করেছেন আবার অনেকে বলেন তিনি তো বিয়েই করেননি। প্রশ্ন হলো তিনি বিয়ে না করেও ফ্যামেলি ডরমেটরিতে কিভাবে থাকেন- তার তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে অনেকে মনে করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে সুমন সেনের কাওলার ডরমেটরিতে সুন্দরীদের আনাগোনা চলে- যা অনেকের চোখে দৃষ্টিকটু।
কাওলার এই কোয়ার্টারের বাসা বরাদ্দ নিয়ে নানা কথা শোনা যায়। এক কর্মকর্তার নামে রবাদ্দ থাকলেও তার ভাই পুলিশের এসি (সহকারি কমিশনার) থাকতেন, ওই ্এসি আবার সিএএবির এক নারী কর্মকর্তাকে দেখে নেবার হুমকিও দিয়ে থাকেন, এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানায়ও অভিযোগ করা হয়।
এই ডরমেটরি-১ আবার সিএএবির নারী কর্মচারী ফারজানার নামেও বরাদ্দ দেয়া হয়। তখন তার স্বামি সৈয়দপুরে চাকরি করতেন। এখনও তা বাতিল করা হয়নি।
সে সুবাধেই হয়তো ব্যাচেলার হলেও সুমন সেনের নামে ডরমেটরি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আবার সিএএবির এক নারি কর্মকর্তার নামে দুটি কোয়ার্টার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সিডি-২ অধীন ওই দুটি কোয়ার্টারে কয়েক লাখ টাকা খরচ করে উন্নতমানের টাইল্সসহ সংস্কারও করা হয়েছে। তদন্ত করলেই আসল ঘটনা বের হয়ে আসবে।