সিভিল এভিয়েশন : সিডি-২, শত ভাগ কাজ বুঝে নিতে এবার নির্বাহী প্রকৌশলী মাঠে : রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হতে পারবেন তো ?

বিশেষ সংবাদদাতা : বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশনে সিভিল ডিভিশন-২-এ শতভাগ ঠিকাদারি কাজ বুঝে নিতে নির্বাহী প্রকৌশলী এবার মাঠে চষে বেড়াচ্ছেন। এরই অংশ হিসেবে গত ৪ অক্টোবর তিনি কাওলার স্টাফ কোয়ার্টারে একটি ঠিকাদারি কাজ পরিদর্শনে সরেজমিনে যান বলে সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সিডি-২-এ আগের নির্বাহী প্রকৌশলীর আমলে নির্বাহী প্রকৌশলী ঠিকাদারি কাজের গুণগত মান সরেজমিনে মাঠে যেতেন না।  উপ সহকারি বা সহকারি প্রকৌশলীদের মতামতের ভিত্তিতে ঠিকাদারি কাজের ফাইনালি বিল পরিশোধ করা হতো। ফলে কাজের মান শতভাগ হতো কি না, ঠিকাদাররা নিন্ম মানের কাজ করে বিল পেতো কিনা – তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যেতো। এতে মূখ্য ভুমিকা রাখতেন সহকারি প্রকৌশলী জহির , জহিরকে ইতিমধ্যেই বদলি করা হয়েছে। এতে ঠিকাদারদের ঠিকাদারি কাজে লাভ বেশি হতো। কিন্ত বর্তমান অর্থবছরে সদ্য যোগদানকৃত নির্বাহী প্রকৌশলী চেয়ারে বসেই ঘোষণা দিয়েছেন যে, শতভাগ কাজ করা ছাড়া কোন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিল পাবে না। আগে কাজের শতভাগ গুনগত মান যাচাই করে বিল দেয়া হবে। এর ফলে নির্বাহী প্রকৌশলী নিজেই মাঠে যাচ্ছেন। এতে করে ঠিকাদারদের মধ্যে হাহাকারভাব ফুটে ওঠেছে। শতভাগ কাজ করার ক্ষেত্রে এই নির্বাহী প্রকৌশলী অনেক ক্ষেত্রে তার অফিসিয়াল বসের অদেশও থোরাইকেয়ার করে থাকেন।
এতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি সৃষ্টি হতে চলেছে। শেষাবধি এটা কতটুকু ধরে রাখা যাবে- তা নিয়েই প্রশ্ন ওঠেছে। তিনি আবার রাজনৈতিক প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে পড়েন কিনা- তা নিয়েও অনেকে সন্দিহান।