বিশেষ সংবাদদাতা : সিলেট এয়ারপোর্ট ম্যানেজার কর্তৃক আনসার সদস্য হেলাল প্রহৃত হওয়ার ঘটনায় তার (ম্যানেজার হাফিজ) ব্যক্তিগত ফাইল উপস্থাপনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সিএএবির প্রশাসন বিভাগের চীফ সদস্য ( প্রশাসন) দপ্তর থেকে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে সিএএবির সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সিএএবির একজন পরিচালক বলেন, সিলেট এয়ারপোর্ট ম্যানেজারের ফাইল উপস্থাপিত হচ্ছে।
সিলেট এয়ারপোর্ট ম্যানেজারের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানতে পেরে সিলেট এয়ারপোর্ট ম্যানেজার এখন ঢাকায় এসে তদবির করছেন বলে সিএএবির সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, সিলেট এয়ারপোর্ট ম্যানেজার হিসেবে হাফিজ আহমদ ১০ বছর যাবত কর্মরত। তাকে ওখান থেকে সরায় এমন সাধ্য কার ? তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি,স্বেচ্ছাচারিতার কথাও শোনা যায়। চোরাচালানের সহায়তকারি হিসেবে গোয়েন্দারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। তাছাড়া সিএএবির ঠিকাদারি বিভাগের সিলেট বিমানবন্দরের প্রতিটি ঠিকাদারি কাজে ম্যানেজার হাফিজ আহমদ শতকরা ১০ ভাগ ঘুষ হাতিয়ে নিয়ে ঠিকাদারি কাজের প্রত্যয়ন ও অনুমোদন দেন বলেও ঠিকাদাররা অভিযোগ করেন।
সিএএবিতে বহু জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে সামরিক বাহিনী থেকে নয়- সিভিল প্রশাসন থেকেই সৃষ্ট পদে সদস্য (নিরাপত্তা) পদে সরকারের একজন অতিরিক্ত সচিবকে প্রেষণে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত সচিব শাহ মো. ইমদাদুল হককে এ পদে পদায়ন করা হয়েছে। জন প্রশাসন মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে গত ১১ এপ্রিল এক প্রঙ্ঘাপনও জারি করেছে।
সদস্য (নিরাপত্তা) পদটি এয়ারফোর্স থেকে পদায়নের জন্য বেশ তোরজোর চলছিল। কিন্ত শেষাবদি তা হলো না। এতে অনেকের মনে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ নিয়ে গত বুধবার সিএএবিতে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকও হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সিএএবির বিতর্কিত প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা (সিএসও) রাশিদা সুলতানার বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে তদন্ত করা হচ্ছে বলে সিএএবির সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তদন্তে তার একডজন জালিয়াতির ঘটনা উদঘাটিত হলে চাকরিচ্যুতির ঘটনা ঘটতে পারে বলে সিএএবিতে অনেকে বলাবলি করছেন। বয়স ও কোটা জালিয়াতি করে সিএসও রাশিদা সিএএবিতে চাকরিতে নিয়োগ পান বলে- তদন্ত সংস্থা খতিয়ে দেখছে। তার বিরুদ্বে একাধিক কারন দর্শানো নোটিশ, কৈফিয়ত তলব, প্রধানমন্ত্রীর ভিভিআইপি মুভমেন্টে লাপাত্তা- কোনটাই আমলে নেয়নি সিএএবি প্রশাসন।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
