বিশেষ সংবাদদাতা : বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশনের অধীন প্রধান বিমানবন্দরসহ দেশের ১৬ টি বিমানবন্দরের সংস্কার ও মেরামত এবং ডেভেলপমেন্ট ঠিকাদারি কাজে স্থবিরতা বিরাজ করছে। অর্থবছরের ৪ মাস গত হতে চললেও ঠিকাদারি কাজের ওয়ার্কার্স প্লান এখনও পাস হয়নি। জরুরিভিত্তিতে কিছু কিছু ঠিকাদারি কাজ চললেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। কবে কাজের ওয়ার্কাসর্ং প্লান পাস হবে তা বলা যাচ্ছে না। ইতিমধ্যেই ঠিকাদারি কাজকে রেড, ইয়েলো এবং গ্রীন জোনে বিভক্ত করা হয়েছে। এর নেপথ্যে কলকাঠি নাড়ছেন সদস্য পরি: পরি:। ফলে প্রকৌশলীরা কাজের নাম ওয়ার্কার্স প্লানে থাকলেও এডভান্স এস্টিমেট দিতে নারাজ। যদি কাজটি আবার রেড জোনে পড়ে যায়- এমন আশংকা করছেন প্রকৌশলীরা।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন ইএম বিভাগের সহকারি প্রকৌশলী শাহিনুর আলম।
এ দিকে সিডি-২-এর অধীনে সম্পন্নকৃত কাওলার স্টাফ কোয়ার্টারের বিভিন্ন টাইপের ভবনের সংস্কার কাজের বিল ৪ ভাগের ১ ভাগ পরিশোধ করা হয়েছে। কাজের নি¤œমানের জন্য বিল কম দেয়া হয়েছে বলে জানা যায়। ভাগিনা বাবু নামের এক ঠিকাদারকে ঠিকাদারি কাজের ১১ লাখ টাকার কাজের বিলের মাত্র ২ লাখ ৮৭ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ঠিকাদার ভাগিনা বাবুও তা স্বীকার করেছেন। এ রকম প্রায় ৫০টি সম্পন্নকৃত কাজের বিল কম দেয়া হয়েছে।
ওই ভবনের সংস্কার কাজের রংকরনে কাজের মান নিম্ন হওয়ায় ইতিমধ্যেই ভবন থেকে রং ওবে গেছে বলে সিডি-২ কর্তৃপক্ষের দাবি। সিডি-২ কর্তৃপক্ষ বলছেন কাজের মান নিম্ন হওয়ায় বিল কম দেয়া হয়েছে। দরজার সঠিকমাপ ৩৮ ইনচি হলেও তা সঠিক মাপে লাগানো হয়নি, রং করা হয়েছে নিম্নমানের, ফলে রং ওঠে গেছে। পাশের অন্যান্য ভবনের রং এখনও দেখার মতো- এ কাজগুলো করেছে হিরু নামের এক সাব কন্টাক্টর । সিদ্ধান্তহীনতায় সিডি-২ কর্তৃপক্ষ , এ ভবনেগুলোর আবার নতুন করে টেন্ডার হবে নাকি আবার পুরনো ঠিকাদার দিয়ে ত্রুটি কাজ করানো হবে।
এ দিকে সিডি-২-এর হিসাব বিভাগে কর্মরত রুবেলকে সিডি-১-এ বদলি করা হয়েছে, অনেকে মনে করছেন এটা বদলি নাটক না অন্য কিছু।কারণ এতো কাছাকাছি তাকে বদলি করা হলো বদলিকৃত অফিস তার পুরনো অফিস থেকে নতুন অফিসে যাওয়া মাত্র ১ মিনিটের সময়ের ব্যাপার।
কিন্ত হিসাবরক্ষক শাহাদতকে বদলির গুনজন শোনা গেলেও তাকে শেষাবধি বদলি করা হয়নি বলে জানা গেছে।
হিসাব বিভাগে ঠিকাদারি কাজের শতকরা ৩ ভাগ না দিলে ফাইল নড়েচড়ে না এবং বিলের চেক হয় না বলে ঠিকাদাররা বলে থাকেন। সব হিসাব বিভাগের ক্ষেত্রেই এ রকম চিত্র। কারণ হিসাবের সব্বোচ কর্তাব্যক্তির পিএ হাফিজ তাই বলে বেড়ান ফাইল রেডি, ঘুষ নিয়ে আসেন। ওখানে শতকরা ৫ ভাগ ঘুষ দিতে হয় বলে ঠিকাদারদের অভিযোগ। এ সব বিভাগে বিএনপি- জামায়াত সমর্থিত লোকজনের প্রভাব বেশি বলে সারাজীবন লীগ করা কর্মচারিরা জানান।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
