বিশেষ সংবাদদাতা : নির্বাচনী এলাকা টাংগাইল-৪, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সৈয়দ মুশতাক হোসেন রতনের পক্ষে। পার্টি তাকে মনোনয়ন দিলে তার বিজয় কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না বলে এলাকার সাধারণ ভোটাররা জানান। ৯ম জাতীয় সংসদ, ১০ম সংসদ এবং ১০ম সংসদের উপনির্বাচনে পার্টি থেকে মনোনয়ন দিলে রতন প্রতিবারই এমপি নির্বাচিত হতে পারতেন বলেও এলাকার আবার-বৃদ্ধ-তরুণরা মনে করেন। ১১তম সংসদ নির্বাচনেও সৈয়দ মুশতাক হোসেন রতন ১৪ দলীয় জোট তথা জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন পেপার কিনেছেন। আওয়ামীলীগ যদি ১৪ দলীয় জোট শরিক জাপাকে ৭০ বা ১০০টি আসন ছেড়ে দেয়-তাহলে এই দুই তালিকায়ই রতনের নাম তালিকায় রয়েছে বলে জানা গেছে।
সৈয়দ মুশতাক হোসেন রতনের রাজনীতিতে হঠাৎ আবির্ভাব নয়Ñ তৃণমূল থেকে ওঠে এসেছেন। ছাত্রজীবনে ছাত্র রাজনীতি, কর্মজীবনে শ্রমিক সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। আর বর্তমানে রতন জাতীয় পাটি ( এরশাদ) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ৮০’র দশকে সিভিল এভিয়েশনে রতন বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশনে শ্রমিক সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়ে শ্রমিকদের অনেক কল্যাণমুলক কাজ করেছেন।
রাজনীতির পাশাপাশি রতন সামাজিক- সাংগঠনিক কাজেও সমান তালে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। জাতির জনক বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ওপর গবেষণামুলক প্রতিষ্ঠান ‘জুলিও ক্যুরি বংগবন্ধু শান্তি সংসদ’ -এর সভাপতি মন্ডলির সদস্য হিসেবে কাজ করছেন। বিদেশীদের কাছে ঢাকার প্রবেশদ্বার খ্যাত হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের গোলচত্বর সংলগ্ন স্থানে বাবুস সালাস মসজিদ, মাদ্রাসা করে ধর্মীয় কাজ করে যাচ্ছেন। তার নিজ এলাকা কালিহাতীর বাংড়ায় স্কুল, মসজিদ মাদ্রাসা গড়ে তুলেছেন। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রতনের এলাকায় তার আমন্ত্রণে একাধিকবার সফর করেছেন। প্রতিটি সফরেই পল্লীবন্ধু রতনের আমন্ত্রণে খুব সন্তোষ্ট বলে জানা গেছে।
রাজনীতিতে ক্যরিশমেটিক গুণের অধিকারী রতনকে কালিহাতী-৪ আসনে বার বার বসিয়ে দেয়া হয়েছে। তা না হলে রতন অনেক আগেই এমপি হয়ে জনগণের সেবা করতে পারতেন। ইতিমধ্যেই রতন কালিহাতীতে ব্যাপক গণসংযোগ শুরু করে দিয়েছেন। এলাকার অলিগলি, রাস্তাঘাট, পাড়া-মহল্লা তিনি চষে বেড়াচ্ছেন ,আর জনগণের কাছে দোয়া চাইছেন।
রাজনীতি, এবারের সংসদ নির্বাচন , তার মনোনয়ন নিয়ে সৈয়দ মুশতাক হোসেন রতনের সাথে ঢাকার উত্তরায় গত ২৩ নভেম্বর বাদ জুমা কথা হয় এ প্রতিবেদকের সাথে। তিনি জানান, কালিহাতীতে আমার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। দল আমাকে মনোনয়ন দিলে আমার বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না। সাবেকমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী স্বতন্ত্র হয়ে নির্বাচন করলেও আমার কাছে কোন ফ্যাক্টর না। আর হাজারীও আমার জনপ্রিয়তার কাছে ধরা খাবে। বিএনপির প্রার্থীও আমার কাছে ঘেষতে পারবে না। কাজেই আমাকে মনোনয়ন দেয়া হলে টাংগাইল-৪ আসনটি আমি উপহার দিতে পারবো বলে আমি আশাবাদী।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
