বিশেষ সংবাদদাতা : ঢাকা কাস্টমস হাউজে ‘টেকার-ননটেকার’ কর্মকর্তার হিসাব কষছে অনেকে। অংকের হিসাবে টেকার কর্মকর্তার পাল্লাই ভারি। আর ননটেকার কর্মকর্তা হাতেগোনা কয়েকজন। তবে হাউজের শীর্ষ কর্মকর্তা-যাকে কেন্দ্র করে হাউজ চলে- সেই কর্মকর্তা ননটেকার, তার পরের কর্মকর্তাও ননটেকার বলে পরিচিতি লাভ করেছেন। তিনি পাচার হওয়া পণ্য আশকোনা থেকে জব্দ করেছেন। কিন্ত যার বলয় থেকে এই পণ্য জব্দ করা হলো তার বিরুদ্ধে বা তার লাইসেন্সের বিরুদ্ধে কোন প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে তাকে আরো অপরাধ পরোক্ষভাবে করার প্রবণতার দিকেই ঢেলে দিলেন। এই আলামিন কুরিয়ারে পিচ্ছি আলামিন নামে খ্যাত, তার লাইসেন্সের কোন অভাব নাই, একটা লাইসেন্স জব্দ করলে আরেক লাইসেন্সে কাজ করে থাকে বলে শোনা যায়। একজন নব্য নেতা তাকে শেল্টার দিয়ে থাকেন। নির্বাচনের সময় ওই নব্য নেতার ছবি ও আলামিনের ছবি দিয়ে বিমানবন্দর এলাকায় বিলবোর্ড সাটিয়ে দেয়।ওই নেতা পাস করেছেন, এখন আর আলামিনের পিছু ফিরে তাকাতে হবে না বলে অনেকে মন্তব্য করেন। ওই নব্যনেতা গোয়েন্দা সংস্থার সই জাল করে পণ্য ছাড়করণ করায় তার প্রতিষ্ঠানের ২ নকে জেল-জরিমানা করেছেন আইনপ্রযোগকারি সংস্থা। তিনি ১ নম্বর গেটের রাজা, তার সমান কেউ পণ্য ডেলিভারি দিতে পারে না।
এসি জাকারিয়া : ঢাকা কাস্টমস হাউজে এসি জাকারিয়া টেকার কর্মকর্তা হিসেবে গুনজন শোনা যায়। তিনি লাইসেন্স শাখা ও কয়েকটি শুল্কায়ন গ্রুপ দেখভাল করেন। তবে তার গ্রুপ কমে গেছে বলে তার সিপাই সনজীব জানান।
এসি দীনা আবার হাউজে : ঢাকা কাস্টমস হাউজ থেকে প্রাইজ পোস্টিংয়ে এসি মুমনমুন আকতার দীনাকে কুরিয়ার শুল্কায়নে পাঠানো হয়। তার আমলে আজান দিয়ে পণ্য ডেলিভারির নামে স্মাগলিং হয়ে যায়। এ অপবাধে তাকেসহ পুরো কাস্টমস টিমকে কুরিয়ার থেকে বদলি করা হয়। তাকে আবার হাউজে পোস্টিং করা হয়েছে।ক্রমশ–
