স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকা কাস্টমস হাউজে ১১ কর্মচারিকে উচ্চ আদালতের আদেশে পোস্টিং দেয়া হলেও তাদের কার্যক্ষেত্র নেই, কোন বেতন-ভাতাও নেই। ফলে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাদের কর্মক্ষেত্র বুঝিয়ে দেয়ার জন্য ঢাকা কাস্টমস হাউজ কমিশনারকে আইনি নোটিশ প্রদান করা হয়েছ। কিন্ত নোটিশের জবাব দেয়া হয়নি।
বিষয়টি জানতে ঢাকা কাস্টমস হাউজ কমিশনার মসিউর রহমানকে বার বার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।
এ দিকে ঢাকা কাস্টমস হাউজে এবার কোটিপতি কাস্টমস সিপাইর গুজব শোনা যাচ্ছে। এরা কেউ কেউ কাস্টমস গোডাউন থেকে সোনা চুরির সাথে সংশ্লিষ্টতার জন্য বিমানবন্দর থানা পুলিশ তালিকা করে তলব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেননি বলে জানা যায়। তারা ইতিপূর্বে হাউজ কমিশনানর দপ্তরে কর্মরত ছিলেন। পরে তাদের কমিশনার দপ্তর থেকে বিতাড়িত করা হয়। ঠাই হয় একজন ডেপুটি কমিশানার দপ্তরে। সেখান থেকে আবার বিমানবন্দরে, আবার হাউজে। হাউজে ডিসি মাহবুবুর রহমানের দপ্তরেও ওই সিপাইর ঠাই হয়নি। ডিসি সাব তাকে আবার অন্য এক এসির দপ্তরে পাঠিয়ে দিয়েছেন। এদের মধ্যে মারজান, মেহেদীর নাম সবার মুখে মুখে। সিপাই আলামিন কম যান না। এরা ননটেকার ডিসি/এসিদের রুমে ডিউটির নামে ডিসি/এসিরদের নামে ফাইল আটকিয়ে ব্যবসায়ীদের থেকে মোটা অংকের বখরা আদায় করে থাকেন বলে শোনা যায় । বহিরাগত আজাদ এদের সাথে মিলেমিশে একাকার।
হাউজ কমিশনার এদের নজরদারি করছেন বলে জানা যায়।
ফ্রেইটে ৩ এসটি : ঢাকা কাস্টমস হাউজের ফ্রেইটে ১ এসটির জায়গায় ৩ এসটি পোস্টিং দেয়া হয়েছে। এ্ই ৩ এসটির নিজেদের মধ্যে সমন্ধয়ের অভাব। এরা নিজেরা একাই একশ’। এদের সাড়াশি তদারকির মধ্যেও সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী ভাতিজা রুবেলের মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য চালান হয়ে যায়, গোয়েন্দা সংস্থা অভিযান করে কয়েক কোটি টাকার পণ্য আটক করে।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
