স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা কাস্টমস হাউজে রাজস্ব কর্মকর্তা নূর আমিনের এক মাথায় তিনটুপি। তাকে শুল্ক গ্রুপ-২, ৫ এবং বিচারের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।সে সুবাধে তিনি সোনার বিচারও করেন। তিনি একাই তিন দায়িত্ব পালন করছেন। রাজস্ব সংক্রান্ত যতো ফাইল তার টেবিলে যায় সব ফাইল থেকে ট্যাক্স কমিয়ে বা নামকাওয়াস্তে ট্যাক্স ধরে, কখনো এইচএস কোডের হেরফেরে ট্যাক্স কমিয়ে নিজে ব্যবসায়িদের সাথে গোপন সমঝোতায় আর্থিক সুবিধা নিয়ে ফাইল ছাড়করণ করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।তার টেবিলে ফাইল বাড়ে টাকা বাড়ে। একজন কাস্টমস সিপাই/এসআইকে দিয়ে তিনি এই টাকা হাতিয়ে নেন। তিনি নিজেকে সৎ দাবি করলেও কর্মকান্ড সততার নয়।
ইতিপূর্বে ফ্রেইট আমদানি শাখায় কর্মরত ছিলেন তিনি। সেখান থেকে তাকে হাউজে পোস্টিং করা হয়।
উল্লেখ্য, রাজস্ব কর্মকর্তা রফিক মোল্লাকে হাউজে এর আগে ট্রিপল দায়িত্ব দেয়া হয়। তিনি এখন হাউজে নেই।
স্ট্যান্ডরিলিজ নয় : এ দিকে গ্রুপ-৩-এ কর্মরত সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা নূরুল আমিন দাবি করেন তাকে স্ট্যান্ডরিলিজ নয়- কুরিয়ার থেকে হাউজে পোস্টিং করা হয়েছে। তিনি কুরিয়ারে থাকতে কালো পলিথিন সমৃদ্ধ পণ্য পাচরের সময় আটক এবং মারিয়াম এনট্টারপ্রাইজসহ অনেক সিএন্ডএফ এন্টারপ্রাইজ থেকে লাখ লাখ জরিমানা আদায় করে সকোরের রাজস্ব আয় করে এসেছেন।
মনজুর এখনও লাপাত্তা : ডি মিনিমাইজ শাখায় রাজস্ব কর্মকর্তা খবির উদ্দিন ভুইয়ার রুমে কর্মরত ইলেকট্রিশিয়ান মনজুর পাচওয়ার্ড কেলেংকারির ঘটনা ফাস হবার পর হাউজ থেকে এখনও লাপাত্তা বলে জানা গেছে।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
