ঢাকা কাস্টমস হাউজ : কুরিয়ারে আবার রামরাজত্ব, ডিসি চেষ্টা করছেন শৃৃংখলা ফিরিয়ে আনতে-

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা কাস্টমস হাউজে কমিশনার এবং কুরিয়ার শুল্কায়নের এসি( সহকারি কমিশনার) বদলি হবার পর আবার কুরিয়ারে রামরাজত্ব শুরু হয়েছে বলে সাধারণ ব্যবসারিা জানান। দুই নম্বর পদ্ধতিতে কতিপয় ব্যবসায়িরা সিন্ডিকেড, সিন্ডিকেড বাণিজ্য করছে, প্রতিদিন শত শত বিল এন্ট্রিতে শতভাগ কায়িক পরিক্ষা না করেই গেট কন্ট্রাক্টে‘ দে টান’ পন্য নিয়ে যাচ্ছে বলে গোয়েন্দা সংসংস্থা জানতে পেরেছে, গোয়েন্দা সংস্থা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। কাস্টমসের তদন্তে গোপন পাচওয়ার্ড জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়লেও এবং কমপক্ষে ৭-৮জন সিএন্ডএফ ব্যবসায়ির থেকে লাখ লাখ টাকা জরিমানাআদায় করা হলেও আবার পাচওয়ার্ড ব্যবসায়িদের হাতে চলে যাচ্ছে বলে সাধারণ ব্যবসায়িরা আলোচনা করছেন। ইতিপূর্বেও এ সংক্রান্ত ঘটনায় রাজস্ব কর্মকর্তা হালিমকে সাসপেন্ড করা হলেও ডি-মিনিমাইজ শাখায় দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত রাজস্ব কর্মকর্তা খবির উদ্দিন এখনও বহাল। আগের কমিশনারের সাথে আনঞলিকতার খাতির থাকলেও নতুন কমিশনারের আমলে খবির উদ্দিন বহাল থাকবেন না তাকে ওখান থেকে বদলি করা হবে-তা নতুন কমিশনার খতিয়ে দেখবেন বলে অনেকে জানান।
এ দিকে কুরিয়ারে অতিরিক্ত কমিশনার কর্তৃক ১৭ সিএন্ডএফ ব্যবসায়িকে নিষিদ্ধ করা হলেও তারা পুরোদমে সক্রিয়্, এদের টিকিটিও স্পর্শ করতে পারলো না কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এদের মধ্যে ভাগিনা মোখলেস দীর্ঘদিন কুরিয়ারে প্রবেশ করতে না পারলেও বর্তৃমানে পুরোদমে প্রবেশ করে ‘দে টান’ কার্যক্রম করছে বলে ব্যবসায়িরা জানান। মামা রাইদুল, ডিপিএস খাচার নাজির, নব্য নেতারা সিন্ডিকেড, সিন্ডিকেড বাণিজ্য করছে, একদিনে শত শত পেপারসে বিল অব এন্টি্েরত পণ্য শতভাগ কায়িক পরিক্ষা না করেই পণ্য নিয়ে যাচ্ছে বলে গোয়েন্দা সংস্থা খতিয়ে দেখছে। এডিসির নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে পিচ্চি আলামিনের আশকোনার ঢেরা থেকে কয়েক কোটি টাকার পণ্য আটক করলেও সেই আলামিন আবারও কুরিয়ারে রামরাজত্ব করছে গোয়েন্দা সংস্থা খতিয়ে দেখছে।
কুরিয়ারে এ সব কার্যক্রমে রাজস্বের বারোটা বাজছে। আগে যেখানে এক কোটি থেকে দেড় কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হতো সেখানে অর্ধেকে নেমে এসেছে বলে জানা যায়। নতুন এসটি-যিনি ৪ মাস ধরে কর্মরত- যিনি নিজকে সৎ হিসেবে দাবি করছেন- জীবনের কিছু সময় সাংবাদিকতার কথাও বলছেন, এরমধ্যে তিনি হলুদ সাংবাদিকতার কথাও বলছেন, সাংবাদিকদের কাজ নিয়েও কথা বলছেন, কমিশনারের ভয়ও দেখাচ্ছেন, বলছেন কমিশনারকে নাকি বলে-কয়ে হাউজে সাংবাদিক প্রবেশ নিষিদ্ধ করবেন। কিন্ত তার কুরিয়ারে বহিরাগত, অবৈধ প্রবেশ কি তিনি বন্ধ করতে পারবেন? আগে তিনি ডিএইচএল খাচার দায়িত্বে ছিলেন, তিনি নন তার ছেলে অসুস্থ থাকার সময় এক মহিলা এআরও এসটির দায়িত্ব পালন করেন, তিনি ননটেকার, এক কাপ চাও নাকি তিনি কারো থেকে খান না-এমন দাবি করেন এক কাস্টমস সিপাই।
তবে গেটে যারা দায়িত্বরত সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা- তাদের মধ্যে জুলফিকার নামের একজন নাকি টেকার, তিনি মরিয়মসহ সব সিএন্ডএফ থেকে যারা ব্যবসায়িক সুবিধা নেন তাদের থেকে খরচ নিয়ে সব ঘাটে খরচ করেন, একজন কাস্টমস সিপাই ডিউটি এয়ারপোর্টে হলেও কুরিয়ারে আগে বহিরাগত ছিল- সেই সুবাধে কুরিয়ারে তার প্রভাব আছে।
নতুন ডিসির গুডউইল আছে , তিনি চেষ্টা করছেন কুরিয়ারে শৃংখলা ফিরিয়ে আনার জন্য, রাজস্ব প্রতিদিন ১ থেকে দেড় কোটির ওপরে আদায়ের জন্য। তিনি এর আগে প্রিভেনটিভে থাকার সময় বিমানবন্দরে চোরাচালান হয়ে আসা বেশ কিছু স্বর্নের চালান আটক করেছেন।
কিন্ত গেটে কর্মরত কাস্টমস কর্মকর্তারা দুনম্বর পদ্ধতিতে সিদ্ধহস্ত ব্যবসায়িদের সাথে এবং শতাধিক খাচা কর্তৃপক্ষের সাথে মিলেমিশে একাকার হয়ে যাচ্ছে বলে গোয়েন্দা সংস্থা জানতে পেরেছে।
এ দিকে কুরয়ারের এসি ফ্রেইটে যোগদান করার পর ফ্রেইটের ১ নং/২ নং গেট কেন্দ্রিক ২০ সিন্ডিকেড ব্যবসায়িরা অনেকটা চিন্তিত হয়ে পড়েছে। কারণ নতুন এসি সোলাইমান ননটেকার।