বিশেষ সংবাদদাতা : ঢাকা কাস্টমস হাউজের কুরিয়ার শুল্কায়ন গেটটি পণ্য পাচারের নিরাপদ পণ্য পাচারের রুটে পরিণত হয়েছে। গেট কন্টাক্টে এ পাচার কাজ চলছে। আগে কাস্টমস কর্মকর্তাদের মারধর করে পণ্য ছিনতাই করে নিয়ে যেতো। এখন তা কন্টাক্টে যাচ্ছে। ইতিপূর্বে ৩০ কোটি টাকার পণ্য পাচারে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলাও হয়েছে। মামলার চার্জশীটও হয়েছে। এ মামলায় যুবলীগের পরিচয়ধারি শ্যামল তার ভাই প্রিন্স গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেছে। এর পর এক আওয়ামীলীগ নেতার পণ্য ভুয়া ডকুমেন্ট তৈরি করে পাচার করার সময় তা রুখে দেয় পুলিশ। এ ঘটনায়ও মামলা হয়েছে।
গত ১৩ জুলাই ৩১ পিচ স্বর্ন পাচারের ঘটনা ঘটে এ কুরিয়ার শুল্কায়ন গেটে। এ ঘটনায় ২ জন গ্রেফতার হয়েছে। এ সব ঘটনার নায়ক কুরিয়ারের সংঘবদ্ধচক্র । এ চক্রের সদস্য ভাগিনা, যার নামের আদ্যাক্ষর ‘ম’। এই ভাগিনা কয়েকদিন আগে জসিম নামের এক ব্যবসায়ীর হাতে মার খেয়েছেন বলে সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীরা বলাবলি করছেন। এই ভাগিনার নামে বিমানবন্দর থানায় মামলা হওয়ার পর বেশ কিছুুদিন পলাতক ছিল। আবার লাইমটাইটে। তার সহযোগিরা হলো তানিম, জাহিদ, নোমান। হাউজ কমিশনার এই চক্রের প্রতি নাকোশ থাকলেও কুরিয়ার শুল্কায়নে কর্মরত কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা এ চক্রকে শেল্টার দিয়ে থাকেন বলে ব্যবসায়ীরা বলাবলি করছেন। আর এ জন্য সৎ ব্যবসায়ীরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। তবে ডিসি কুরিয়ার এ ব্যাপারে বেশ তৎপর। বিস্তারিত আসছে
