ঢাকা কাস্টমস হাউজ : সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা নূরুল আমিনের স্ট্যান্ডরিলিজের নেপথ্যে- সটকে পড়েজে ইলেকট্রিয়ান মনজুর : এক মহিলা কর্মচারিকে ডে-মেনুফেস্টু শাখায় বদলি

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা কাস্টমস হাউজের কুরিয়ার শুল্কায়ন থেকে দুই দুই স্ট্যান্ডরিলিজ হওয়া সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা নূরুল আমিন এসটির দায়িত্বে থাকাবস্থায় ১৭ সিএন্ডএফ সিএন্ডএফ- খাচাওয়ালাদের থেকে নামকাওয়াস্তে ট্যাক্স, অনেক সময় ট্যাক্স না দিয়ে পণ্য খালাসে সহায়তার করণের অভিযোগে কর্তৃপক্ষ তাকে প্রথমবার কুরিয়ার থেকে স্ট্যাান্ডরিলিজ করেন। কিন্ত এডিসি প্রশাসন -–এসি প্রশাসন সমন্বয় না করে নূরুল আমিনকে ডেলিটারি গেটে দায়িত্ব দেয়া হয়।এসটির দায়িত্ব পাবার পর সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা দুই নম্বরি খাচা- যাদেরকে একাধিকবার তালাবদ্ধ করা হয়েছে ,আাবার খুলে দেয়া হয়েছে। খাচার সাথে ১৭ সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীর পণ্য দুইনম্বরিওয়েতে ছাড়করণ করে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। সরকার হারিয়েছে মোটা অংকের রাজস্ব। এই ১৭ জনের মধ্যে ভাগিনাখ্যাত মোখলেসকে স্থায়ীভাবে কুরিয়ার থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আবার যখন ডেলিভারি গেটে দায়িত্ব দেয়া হয় তখন সুবিধা নিয়ে দেদারচ্ছে পণ্য ছাড়করণ করেছে- যা তদন্তাধীন। এজন্য তাকে ২য়বার স্ট্যান্ডরিলিজ করা হয়েছে।তাকে হাউজের ৩ নং গ্রুপে বসানো হয়েছে। এসটির দায়িত্ব দেয়া হয় নতুন এক এআরওকে।
এ দিকে পাসওয়ার্ড কেলেংকারির ঘটনায় তদন্ত শেষ না হলেও রাজস্ব কর্মকর্তা খবির তার চেয়ারে বহাল, তার বিরুদ্ধে কোন প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এ দিকে তার রুমে কর্মরত ইলেকট্রিশিয়ান মনজুর সটকে পড়েছে। এক মহিলা কর্মচারিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।