ঢাকা কাস্টমস হাউস : একদিনে ৮৭৫ পেপারসে পণ খালাস!

বিশেষ সংবাদদাতা : ঢাকা কাস্টমস হাউজের কুরিয়ার শুল্কায়ন গেট দিয়ে একদিনে ৮৭৫ পেপারসে পণ্য খালাস দেয়া হয়েছে বলে সিএন্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ীরা বলাবলি করছেন। আর এর গডফাদার হচ্ছেন তিন এসির সাথে সৌহাদ্যপূর্ন সম্পর্ক মরিয়ম এন্টারপ্রাইজ-এর কর্নধার। ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৮ অক্টোবর।কখন পণ্যের এক্সামিন হলো, কখন এসেসমেন্ট হলো , কখন ব্যাংকে রাজস্ব’র টাকা জমা দেয়া হলো- তা রহস্যজনক। তদন্ত হলেই থলের বিড়াল বের হয়ে আসবে। ডিজিটাল পদ্ধতিতেও একদিনে ৮৭৫ পেপারসে পণ্য খালাস দেয়া সম্ভব নয় বলে বিশেঙঘরা জানান। একদিনে ৮৭৫ পেপারসে পণ্য খালাস করে পার্টিও করেছে বলে শোনা যায়। ঢাকা কাস্টমস হাউজের বড় কর্তা কমিশনারের সাথেও তার সুসম্পর্ক। সাবেক এক কমিশনারকে তো তিনি রাজউকের থার্ড ফেইজে ভালো পজিশনে প্লটের ব্যবস্থাও করে দিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক কুরিয়ার খাচা থেকে সেসালের নামে বস্ত্য়া বস্তায় পণ্য পার করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তিনি ডিএইচএলের পরিমলের ভুমিকায়। পরিমল সোনা পাচার অভিযোগে জেলও খেটেছেন।একদিনে ৮৭৫ পেপারসে পণ্য খালাস ঘটনায় ডিএইচএল ৩ দিন কর্মবিরতিও করেছে বলে ব্যবসায়ীরা জানান।
এসব পণ্য সবই যাচ্ছে গেট কন্টাক্টে। গোয়েন্দা সংস্থা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
মামা-ভাগিনা : কুরিয়ারে দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেড মামা- –ভাগিনা। এক নামে সবাই চেনে। এই মামা-ভাগিনার জন্য গেট ফ্রি করে দেয়া হয়ে থাকে বলে গোয়েন্দা সংস্থা জানতে পেরেছে। মামা থাকে পর্দার আড়ালে আর ভাগিনা প্রকাশ্যে। কোটি কোটি টাকার পণ্য দে টানÑ এদের সাথে সেই জনদরদি শ্যামলের আপন ভাই প্রিন্সকেও দেখা যায়।
ডিপিএক্স খাচা দিয়ে যার জীবন শুরু সেই নাজিরও নিজেই নতুন খাচা করে সিন্ডিকেড ব্যবসা করছে। রাজধানির উত্তরা এলাকায় নাজিরের বহুতল বাড়ি ওঠছে।