স্টাফ রিপোর্টার : দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রীর মানস পুত্র বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন সরকার বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুদককে ব্যবহার করছে। প্রধানমন্ত্রী যা চাইছেন দুদক তাই করছে। কিন্তু জনতার আদালতে, আইন ও নৈতিকতার আদালতে খালেদা জিয়া নির্দোষ।
আজ বেলা সাড়ে ১১ টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি না দিলে চলমান আন্দোলনের স্রোত তীব্র বেগে ধাবিত হবে এবং স্বৈরাচারী সরকারের দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার স্বপ্নসাধ ধুলোয় লুটিয়ে যাবে। ক্ষমতার জোরে মিথ্যা মামলায় কাউকে জড়ানো যায়, এটা জনগণ জানে। এবং ক্ষমতার হুমকিতে ক্ষমতাসীনদের নামে মামলাও অদৃশ্য হয়ে যায় এটাও জনগণের অজানা নয়। বেগম জিয়াকে বন্দী করে রেখে পথের কাঁটা সরানোর দুরভিসন্ধির কথা এখন মানুষের মুখে মুখে। তিনি বলেন, মানুষ বলছে-বেগম জিয়াকে বন্দী করার অর্থ গণতন্ত্রকেই বন্দী করে রাখা। বেগম খালেদা জিয়াকে অসত্য ও বানোয়াট মামলায় সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর পর প্রধানমন্ত্রীর উল্লাসে মনে হয়েছে তিনিই বেগম খালেদা জিয়াকে সাজা দিতে আদালতকে বাধ্য করেছেন। দীর্ঘদিন প্রতিশোধের পথে হাঁটতে হাঁটতে আদালতকে ব্যবহার করে তিনি সার্থক হয়েছেন বেগম খালেদা জিয়াকে সাজা দিতে। তাই প্রধানমন্ত্রীর উল্লাস প্রতিশোধ চরিতার্থ করতে প্রশান্তির উল্লাস। মনে হয়েছে বহুদিন তিনি শিকারের অপেক্ষায় ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বন্য বিচার সার্থক করেছেন আওয়ামী রঙে রঞ্জিত আদালত দ্বারা। কিন্তু তাতে বেগম জিয়া মানুষের কাছে আরও বেশী জনপ্রিয় হয়েছেন, তাঁর ওপর সরকারের দুর্বিষহ নির্যাতনে মানুষ ক্ষোভে-ক্রোধে অগ্নিগর্ভ হয়ে আছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ভাইস চেয়ারম্যান মীর নাসির, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী, কেন্দ্রীয় নেতা শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, আব্দুস সালাম আজাদ।
