ডেক্স রিপোর্ট : জেলখানায় ঈদ করার অভিজ্ঞতা তিনি পেয়েছেন গত বছর, কোরবাণীর ঈদ করেছিলেন নাজিমুদ্দিন রোডের পুরানো কারাগারে। হাসপাতালে ঈদের অভিজ্ঞতা যুক্ত হলো বুধবার, পবিত্র ঈদ উল ফিতরের দিনে।
ঈদ উপলক্ষে এবার বিএনপি চেয়ারপারসনের সাথে সাক্ষাৎ করার অনুমতি দেয়া হয় পরিবারের ৭ জনকে। খালেদা জিয়ার বোন সেলিনা ইসলাম ও তার স্বামী রফিকুল ইসলাম, ভাই সাঈদ ইস্কান্দরের স্ত্রী, তারেক রহমানের স্ত্রী জোবাইদা রহমানের বড় বোন, খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি ও ভাই শামীম ইস্কান্দরের ছেলে অভিক ইস্কান্দর ছিলেন এই দলে।
বেলা ১টার দিকে তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের ৬২১ নম্বর কেবিনে যান। বের হয়ে আসেন আড়াইটার দিকে।
স্বজনরা বাসা থেকে খাবার নিয়ে গিয়েছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, স্বজনদের সাথে খেতে বসে সবার খবরাখবর নেন বেগম জিয়া। আর নব্বই মিনিটের এই স্বজনসাক্ষাতে তিনি বেশ কয়েকবার নাতনীদের কথা উল্লেখ করেন। তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান, মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর মেয়ে জাহিয়া রহমান ও জাফিয়া রহমান তার খুব আদরের। বিশেষ করে জাইমার সাথে তার সম্পর্কটা ভিন্নমাত্রার। জাইমা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দাদীর সাথে যেতো। বাসায় বেগম জিয়ার সাথে প্রচুর সময় কাটাতো জাইমা।
ঈদের দিন স্বজনরা হাজির হলে তাদের কথাই বেশি মনে পড়েছে তার, যারা সামনে নেই। এবারের ঈদে ছোট বউ শর্মিলী যাননি শ্বাশুড়িকে দেখতে। বিএনপি চেয়ারপারসন তার কথা জিজ্ঞেস করেছেন। নাতনীদের প্রসঙ্গ উঠলে বেগম খালেদা জিয়া জানান, তিন নাতনীকে খুব মিস করছেন। যখনি জাইমা-জাহিয়া-জাফিয়ার কথা উঠছিলো, তিনি বিষন্ন হয়ে পড়ছিলেন। আমাদের সময়ডটকম
