বিশেষ সংবাদদাতা : সিভিল এভিয়েশনে ইএম বিভাগে কর্মরত আপন দুইভাই প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান সেলিম এবং এনামুল কবীরের বিরুদ্ধে জাল শিক্ষা সনদে চাকরি নেয়ার পর তা তদন্ত করে সিএএবির প্রশাসন বিভাগ তাদের পক্ষে পক্ষপাতিত্ব করছেন বলেও অভিযোগ ওঠেছে। নামকাওয়াস্তে তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড থেকে আরেকটি সনদ নেয়া জমা দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। কিন্ত বিষয়টি আমলে নিচ্ছেন না ডিডি প্রশাসন।
এ ব্যাপারে ডিডি প্রশাসন জানান, জাল শিক্ষা সনদের অভিযোগ ওঠায় আমরা যশোহর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর দাপ্তরিক চিঠি পাঠাই। বোর্ড যাচাই-বাছাই করে সনদ দিয়েছে।
কিন্ত প্রশ্ন ওঠেছে যে প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে জাল শিক্ষা সনদের অভিযোগ তাকেই ওই চিঠি দিয়ে বোর্ডে পাঠিয়ে আরেকটি ডুপ্লিকেড সনদ এনে জমা দেয়া হলো। এ জন্য ‘শিয়ালের কাছে মুরগি বাগি’ দেয়ার মতো গল্প।
এ ক্ষেত্রে সিআইডি এক্সপার্ট দিয়ে জাল শিক্ষা সনদের বিষয়টি তদন্তের জন্য কেন সিএএবি প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাপ্তরিক চিঠি দেয়া হলো না- এ প্রশ্ন সংশ্লিষ্টদের।
এ দিকে সিনিয়র প্রকৌশলীকে ডিংগিয়ে জুনিয়র ইএম বিভাগের প্রকৌশলী এনামুল কবীরকে সিনিয়র করায় সিএএবির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কোর্ট কনটেম্প মামলা হলেও প্রকৌশলী এনামুল কবীরের সিনিয়রটি বহাল রয়েছে, তাকে এখনও পদাবনতি করা হয়নি।
এ দিকে ইএম বিভাগের দুই কর্মচারি যারা শাহজালাল বিমানবন্দরে বেল্টে দীর্ঘদিন যাবত কর্মরত সেই কামরুল এবং হাসানের বিরুদ্ধে পাচার বাণিজ্যের কথাও শোনা যায়। এই দুই কর্মচারিকে আগলে রেখেছেন প্রকৌশলী এনামুল কবীর। কর্মচারি কামরুল তার বসের পক্ষে ওকালতি করছেন। কর্মচারি কামরুল এবং হাসান আংগুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছেন, রাজধানির আশকোনায় বহুতল বিশিষ্ট বাড়ি রয়েছে- যা দুদক তদন্ত করলেই ধরা পড়বে।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
