বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে : রাষ্ট্রপতি

একুশে বার্তা ডেক্স :  বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল এদেশকে সোনার বাংলায় পরিণত করা। তাঁর সেই স্বপ্ন পূরণ করতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে চলেছে।  ৭ মে সোমবার দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাষ্ট্রপতি মোঃ আব্দুল হামিদ বঙ্গবন্ধু মাজার প্রাঙ্গণে রক্ষিত পরিদর্শন বহিতে একথা লিখেছেন।

তাঁর লেখায় তিনি পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন বঙ্গবন্ধু, তাঁর সহধর্মিনী, পুত্রগণ, পুত্রবধূসহ নিকটাত্মীয়দের, যাঁরা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের হাতে নির্মমভাবে শাহাদাত বরণ করেন। তিনি স্মরণ করেন আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের এবং ১৯৭৫ সালের ৩ নবেম্বর জেলখানায় শহীদ চার নেতাসহ মহান ভাষা আন্দোলনের স্বাধীকার ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাদেরকে।

তিনি তাঁর লেখায় বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত ও টেকসই রাখতে দল-মত ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সর্বাত্মক প্রয়াস প্রত্যাশা করেছেন।

এর আগে দুপুর ১ টা ৪৫ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মোঃ আব্দুল হামিদ ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছেন। দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর টুঙ্গিপাড়ায় এটাই তার প্রথম সফর। সেখান থেকে ১ টা ৫৫ মিনিটে তিনি বঙ্গবন্ধু মাজারে পৌঁছে জাতির পিতার সমাধিতে ফুল দিয়ে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় তিন বাহিনীর পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। বেজে ওঠে বিউগলের করুণ সুর; কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন নীরবে। পরে তিনি সেখানে ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করবেন। এরপর তিনি শেখ হেলালউদ্দিন, এমপি ও শেখ সালাউদ্দিন জুয়েলসহ শেখ পরিবারের কয়েক সদস্যকে কাছে ডেকে নিয়ে সেখানে বঙ্গবন্ধুর সমাধিবেদীস্থলে কিছুক্ষণ নীরবে দাড়িয়ে থাকেন।

এরপর রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ মাজার প্রাঙ্গণে রাখা পরিদর্শন বহিতে স্বাক্ষর করেন এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য কথা বলে মাজার প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন। এ সময় পদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী সেখানে উপস্থিত ছিলেন।