বিমানের ক্লিনিং টেন্ডারে ভয়াবহ দুর্নীতি : টেন্ডার কমিটির তেলেসমাতি

বিশেষ সংবাদদাতা : বাংলাদেশ বিমানের দুর্নীতি যেন রন্ধ্রে রন্ধ্রে, দুর্নীতি যেন পিছু ছাড়ছে না, সাবেক এমডি থেকে শুরু থেকে নীচ পর্যায়ে দুর্নীতিতে আকন্ঠদের দুদক তলব, বিদেশ যেতে নিয়েধাঙ্ঘা- কোন কিছুই দুর্নীতির মূলোৎপাটন করতে পারছে না। বিমানের ক্লিনিং টেন্ডারে বার বার অুিনয়ম ,দুর্ণীতি আর স্বজনপ্রীতির ঘটনা ঘটছে। গত ক্লিনিং টেন্ডারে দুর্নীতির উৎস খুজে পেয়ে তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কয়েক দফায় টেন্ডার আহবান করেও তা বাতিল করে বিমানের নিজস্ব ক্লিনার দিয়ে বিমানের ৫ স্থাপনার ক্লিনিং কাজ করানো হচ্ছে।
এবারও বিমানের ৫ স্থাপনার ক্লিনিং টেন্ডারে ভয়াবহ দুনীতির আশ্রয় নেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে পরিচালক প্রশাসন বরাবর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিমানের এমডিকেও অভিযোগের অনুলিপি দেয়া হয়েছে।
ঠিকাদারি প্রতষ্ঠান নাহিদ ট্রেডার্স অভিযোগের বিষয়বস্তুতে বলেছে,‘ গত ১২.০৯.২০১৯ তারিখে ক্লিনিং কাজে ইজিপি টেন্ডার আইডি নম্বর-৩২৭৯৩৪,৩২৫৫৮০,৩২৭৯৯৭ সিডিউলে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ও দরপত্রে অংশগ্রহণকারি কোম্পানিগুলোর কাগজপত্র যাচাই-বাছাই’।
অভিযোগে বলা হয়েছে,গত ১২.০৯.২০১৯ তারিখে কার্গো ভিলেজ,বিএটিসি ভবন ও এমটি শাখা ক্লিনিং এবং মেডিকেল সেন্টার ও স্টাফ কোয়ার্টারে টেন্ডার অনুষ্ঠিত হওয়ার পর ওপেনিং টেন্ডারে বাজেট কমিয়ে পরিবর্তন করা হয়েছে। এর সাথে সম্পত্তি ও সাধারণ সুবিধা বিভাগের কতিপয় অসৎ, দুর্নীতিবাজ কর্মচারি ও কর্মকর্তা মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে এ দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছে। এই অসৎচক্র তাদের মনোনীত ঠিকাদারদের টেন্ডার অনুষ্ঠিত হবার আগেই ওপেনিং বাজেট এবং শতকরা ১০ ভাগ লেস দর ফাস করে দেয়। এ দুর্নীতির কাজে জড়িত হয়ে পড়ে কমফুড এন্টারপ্রাইজ, মোস্তফা এন্ড কোং। এ দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিমানের সম্পত্তি শাখার অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারিদের সহায়তায় ওপেনিং বাজেট ও লসের খবর পেয়ে তাদের দর পরিবর্তন করে টেন্ডাওে অংশগ্রহণ করে কার্যাদেশ পাবার পায়তারা করছে। বিমানের সম্পত্তি অফিসার –যিনি আবার টেন্ডার কমিটির সদস্য সচিব দেলোয়ার হোসেন, সম্পত্তি ম্যানেজার জনাব আলি এবং নিয়োগ শাখার ডিজিএম কামাল উদ্দিন এই ক্লিনিং টেন্ডার অনিয়মের নাটেরগুরু বলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নাহিদের কর্মচারিরা অভিযোগ করেন। জিএম ফারুকী ভাল লোক হলেও তিনি এ ক্ষেত্রে মূখ্য ভুমিকা রাখতে ব্যর্থ বলেও ঠিকাদাররা জানান।
উল্লেখ্য, গত ০৬.০২.২০১৯ তারিখের অনুষ্ঠিত বিমানের ক্লিনিং টেন্ডারসহ বার বার টেন্ডার আহবান করেও অনিয়মের জন্য সর্বশেষ তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পর তা বাতিল করা হয়েছে। বিমান নিজেই এ সব স্থাপনায় ক্লিনিং কাজ করছে। ক্রমশ