বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের লন্ডন অফিসের সাবেক ফাইন্যান্স ম্যানেজার প্রিয়রঞ্জন মহাজনের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘ইউকে বিডি নিউজ ডট কম’। প্রকাশিত সেই খবরের অংশবিশেষ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল-
প্রিয়রঞ্জন মহাজন ছিলেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের লন্ডন অফিসের ফাইন্যান্স ম্যানেজার। নামেই শুধু মহাজন নয়, কথা বার্তাও চলনে পুরোটাই মহাজনি ভাব থাকতো তার। দুই বছরেই আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ এই প্রিয়রঞ্জন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেকশিক্ষার্থী হওয়ার কারণে শীর্ষ পর্যায়ের এক আওয়ামী লীগ নেতাকে নিজের সহপাঠী ও বন্ধু বলে পরিচয় দিতো। দাপিয়ে বেড়াতোবিমানের লন্ডন অফিস। তার অধীনস্থ কর্মকর্তাদের কাছে এক আতংকের নাম ছিলো প্রিয়রঞ্জন। শুধু তাই নয়, তার কারণে কোণঠাসা হয়ে থাকতো বিমানের সাবেক কান্ট্রি ম্যানেজারও। এই প্রিয়রঞ্জন লন্ডন অফিসে যোগ দেন ২০১৫ সালের ১২ আগস্ট আর ২০১৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর এই পদ থেকে অব্যাহতি পান। ফাইন্যান্স ম্যানেজার হিসেবে লন্ডনে দায়িত্ব পালনের মেয়াদ কাল গুনে গুণে দুই বছর একমাস নয় দিন। আর এই সময়ের মধ্যে ঘুষ বাণিজ্য, অনিয়ম, দুর্নীতিতে নিজেকে ওপেন সিক্রেট বানিয়ে ফেলেন প্রিয়রঞ্জন।
মেয়াদকালের দুই বছরের তার পকেট ভারি হয় বিমানের লন্ডনস্থ ট্রাভেল এজেন্টগুলো থেকে ঘুষ নিয়ে। ঘুষ ছাড়া ট্রাভেল এজেন্সীর বার্ষিক সেলস ইনসেনটিভ এর ফাইল স্বাক্ষর করতেন না প্রিয়রঞ্জন। পাউন্ড পেলেই স্বাক্ষর – এই নীতিতে অনড় ছিলেন প্রিয়রঞ্জন। জানাযায়, বিমানের অফিসিয়াল নিয়ম অনুযায়ী প্যাসেঞ্জার সেলস এজেন্টস (পিএসএ)ভুক্ত ট্রাভেল এজেন্সিগুলোকে নিয়মিত বার্ষিক সেলসইনসেনটিভ দেয়া হতো। আর এই ইনসেনটিভ নেয়ার সময়ে বাধ্যতামূলকভাবে ফাইন্যান্স ম্যানেজার প্রিয়রঞ্জন মহাজনকে দিতে হতোনির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ, তা না হলে নানা অজুহাতে বিলম্ব হতো এই ইনসেনটিভ প্রাপ্তি। শুধু তাই নয়, নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ না দিলে সংশ্লিষ্টট্রাভেল এজেন্সিগুলোকে পোহাতে হতো নানা ভোগান্তি।
ওপেন সিক্রেট এই বিষয়টিতে ক্ষুদ্ধ ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায়ীরা বিমানের তৎকালীন পরিচালক নজরুল ইসলাম খানের কাছে প্রিয়রঞ্জনমহাজনের সামনেই মৌখিক অভিযোগ তুলে ধরেন।
সূত্র জানায়, লন্ডনে কর্মরত থাকাকালীন কর্তব্যে অবহেলা, ঘুষ চাওয়াসহ অনিয়মের নানা কাহিনীর সাথে সম্পৃক্ত ছিলো প্রিয়রঞ্জনমহাজন। তার এসব কাহিনী ধামাচাপা দিতেই নিজেই সাজাচ্ছে অন্যের নামে একের পর মিথ্যা অভিযোগ। ভুল তথ্য দিয়ে বিমানেরঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিভ্রান্ত করার মতো অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
সূত্র আরো জানায়, ২০১৫ সালের আগস্টে বিমানের লন্ডন অফিসের ফাইন্যান্স ম্যানেজার হয়ে আসার কথা ছিলো ফাহিমা হকের। তবে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে জ্যেষ্ঠতা লংঘন করে সুকৌশলে লন্ডনের এই পদটি বাগিয়ে নেন প্রিয়রঞ্জন মহাজন। লন্ডন অফিসেযোগ দিয়েই প্রকাশ্যে একের পর এক নানা অনিয়মে জড়িয়ে ফেলেন নিজেকে। ছোট–বড় নানা অভিযোগ জমা হতে থাকে তার বিরুদ্ধে।
ভুয়া বিলের মাধ্যমে ১০হাজার পাউন্ড চুরি!
প্রিয়রঞ্জন মহাজনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে মারাত্মক অভিযোগটি ধরা পড়ে ২০১৭ সালের শেষের দিকে। বিমানের পাইলট ও কেবিন ক্রুদেরথাকার জন্য চুক্তি ছিল সেন্ট্রাল লন্ডনের সেন্ট গিলস হোটেলের সঙ্গে। সেই চুক্তি শেষ হয়ে গেলে হোটেলের ই–মেইল এড্রেস এর নকলআরো একটি ই–মেইল এড্রেস বানিয়ে বিমানের লন্ডন অফিসে চূড়ান্ত বিল প্রদান করেন প্রিয়রঞ্জন মহাজন। লন্ডন স্টেশন ম্যানেজারেরবরাবরে প্রায় ১০ হাজার পাউন্ডের এই বিল পরিশোধের জন্য হোটেলের একাউন্ট হিসেবে দেখান নিজের ব্যক্তিগত একটি ব্যাংকেরএকাউন্ট নম্বর। অত্যন্ত সূক্ষ্ম কায়দায় ই–মেইলের মাধ্যমে করা এই বিল জালিয়াতির বিষয়টি প্রথমে নজরে আসে বিমানের লন্ডনঅফিসের কর্মকর্তা মাহমুদা তালুকদারের কাছে। তখন প্রিয়রঞ্জন মহাজন নিজ দায়িত্বেই দ্রুত এই বিল প্রসেসিং করেন। পুরো ঘটনাগোপন রেখে তৎকালীন সদ্যনিয়োগ পাওয়া কান্ট্রি ম্যানেজার শফিকুল ইসলামের মাধ্যমে সেকেন্ড অথরাইজড স্বাক্ষর আদায় করে নেনতিনি। পরবর্তীতে বিষয়টি তৎকালীন ইউকে কান্ট্রি ম্যানেজারের কাছে ধরা পড়লে এই বিষয়ে বিমানের প্রধান কার্যালয়কে অবগতকরেন তিনি। তদন্তে বেরিয়ে আসে প্রিয়রঞ্জন মহাজনের বিল জালিয়াতির বিষয়টি। সে সময়ে বিষয়টি তৎকালীন এক উধ্বর্তনকর্মকর্তার মাধ্যমে ধামাচাপা দিতে সফল হয় দুুর্নীতিবাজ প্রিয়রঞ্জন।
দুই বছরে বিমানের আয় ব্যায় শুন্য, বিমানের জরিমানা
লন্ডন বিমান অফিসে চাকুরিরত অবস্থায় প্রিয়রঞ্জনের বিরুদ্ধে গুরুতর দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ আছে। বৃটেনের কোম্পানী হাউসেরবার্ষিক হিসাবে সে পরপর দুই বছর লন্ডনস্থ বিমান অফিসের আয় ও ব্যায় শুন্য দেখিয়ে একাউন্টস রিটার্ণ দাখিল করেছিলো, যার জন্যএখন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের লন্ডন স্টেশনকে মোটা অংকের জরিমানা গুনতে হবে। এছাড়া একবার সে ভ্যাট হিসেবেবিমানের ২২,০০০ পাউন্ড অতিরিক্ত প্রদান করেছে।
ঘুষ না পেয়ে নামে বেনামে অভিযোগ
ঘুষের টাকা না পেয়ে প্রিয়রঞ্জন মহাজনের রোষানলের শিকার হয়ে দীর্ঘদিন আটকে থাকে লন্ডন–ঢাকা রুটের বিমানের কার্গো সেলসএজেন্টস জেএমজি কার্গোর ইনসেনটিভ। এ বিষয়ে জেএমজি কার্গোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সরাসরি বিমানের তৎকালীন পরিচালকনজরুল ইসলাম খানের কাছে অভিযোগ করলে তিনি তা আমলে নিয়ে তদন্ত করেন। তদন্ত শেষে দীর্ঘদিন পর বিমানের সঙ্গে ২২অক্টোবর ২০১৩ তারিখের লিখিত শর্তানুযায়ী দুই বছরের ন্যায্য ইনসেনটিভ গত ২০১৮ সালের ১৩ মার্চ জেএমজি কার্গোকে চেকেরমাধ্যমে বুঝিয়ে দেয় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ইউকে অফিস। এরপর থেকেই প্রিয়রঞ্জন মহাজনের ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকারহতে হয় জেএমজি কার্গোকে। এই খ্যাতনামা কার্গোর বিরুদ্ধে বিমানসহ নানা দপ্তরে নামে–বেনামে মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ দেয়াহয়েছে।
দুর্নীতিতে সহযোগিতা না করায় রোষানলে সাবেক কান্ট্রি ম্যানেজার
প্রিয়রঞ্জন মহাজনের অনিয়ম ও দুর্নীতিতে সহযোগিতা না করায় রোষানলে পড়তে হয়েছে বিমানের সদ্য সাবেক কান্ট্রি ম্যানেজারশফিকুল ইসলামকে। প্রিয়রঞ্জন মহাজনের বিল জালিয়াতির বিষয়টি নিয়ে উধ্বর্তন মহলকে জানানোর পর থেকেই তিনি নানাভাবেষড়যন্ত্র করতে থাকেন কান্ট্রি ম্যানেজার শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। প্রিয়রঞ্জন লন্ডনে থাকাকালীন বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ট্রাভেলএজেন্ট ও কার্গো এজেন্টদের থেকে সরাসরি টাকা দাবী করতো আর এক্ষেত্রে তার একমাত্র বাধা ছিল তৎকালীন লন্ডনের কান্ট্রিম্যানেজার শফিকুল ইসলাম। এটিও অন্যতম একটি কারণ ছিলো শফিকুল ইসলামের উপর ক্ষিপ্ত হওয়ার।
মেয়াদ শেষে এ বছরের শুরুতে শফিকুল ইসলাম ঢাকায় ফিরে এলে তার পদোন্নতি ঠেকাতে নানা তৎপরতা শুরু করেন প্রিয়রঞ্জনমহাজন। শফিকুলের বিরুদ্ধে ফ্রি টিকেট কেলেংকারিসহ মনগড়া নানা অনিয়ম সাজিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে নামে–বেনামেঅভিযোগ দেয়া হয়। আর সেসব অভিযোগের ভিত্তিতেই গঠিত হয় তদন্ত কমিটি। বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্নদপ্তরে শফিকুল ইসলামকে জড়িয়ে নানা অপপ্রচার ও অভিযোগ দায়ের করে। এমনকি শফিকুল ইসলামের সঙ্গে জেএমজি কার্গোরঅবাস্তব ব্যবসায়িক সম্পর্ক সাজিয়ে নানা অভিযোগ দায়ের করেন।
বিমানের লন্ডন ঢাকা রুটের কার্গো ব্যবসাকে ধ্বংস করতে প্রিয়রঞ্জন মহাজন সংঘবদ্ধভাবে বিমানের উর্ধ্বতন মহল সহ বিভিন্ন দপ্তরেনামে বেনামে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন। এতে বিমান কতৃপক্ষের মাঝে মারাত্মক বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এর পরেই লন্ডনের কার্গোব্যবসায়ীদের মাঝে এক ধরণের অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। লন্ডন ঢাকা রুটে বিমানের এই কার্গো ব্যবসাকে বৃহত্তর পরিসরে বিস্তৃত করে তুলতেবেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ বিমানের সহযোগিতায় শুধু লন্ডনই নয়, পুরো ইউরোপ জুড়ে এইকার্গো ব্যবসা এখন সম্প্রসারিত হয়েছে। রূপ নিয়েছে একটি প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়। যার ফলে এসব দেশে বসবাসরত লাখ লাখ বাংলাদেশীকার্গো সেবা পাচ্ছে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানও হচ্ছে অসংখ্য বাংলাদেশীর।
যার ফলে কার্গো সেক্টরে লাভের মুখ দেখেছে বিমান বাংলাদেশ। আর এই সেক্টরটিকে ধ্বংস করতেই উঠে পড়ে লেগেছে প্রিয়রঞ্জন।লন্ডনে বিদেশী হ্যান্ডেলিং কোম্পানীর মাধ্যমে কার্গোতে ওজনচুরি, এজেন্ট নিয়োগে ক্ষেত্রে অনিয়মের মতো হাস্যকর অভিযোগও দেয়প্রিয়রঞ্জন। যার ফলশ্রুতিতে লন্ডনের বিমানের আয়ের এই কার্গো সেক্টর বর্তমানে চলে যাচ্ছে অন্যান্য বিদেশি এয়ারলাইন্সের হাতে।ঢালাওভাবে আনা নানা ভিত্তিহীন অভিযোগে ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে লন্ডনে কার্গো ব্যবসায়ে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের।
লন্ডনের একটি কার্গো হ্যান্ডেলিং প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে কর্মরত শাহরাজ হোসাইন বলেন, লন্ডনে বিমানের প্যাসেঞ্জার ও কার্গো হ্যান্ডেলিংএজেন্ট বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান ‘ডানাটা’। যারা আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে সূক্ষ্ম পরিমাপ ও সর্বোচ্চ সিকিউরিটি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমেবিমানসহ বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের কার্গো হ্যান্ডেলিং করে থাকে। এসময় ডানাটা পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে অত্যাধুনিক মেশিনেরমাধ্যমে তিন ধাপে কার্গো পরিমাপ করে। এরপর ডানাটার দেয়া পরিমাপের উপরই বিমান বাংলাদেশ তার কার্গো এজেন্টদের বিলপ্রদানের মাধ্যমে অর্থ আদায় করে। যেখানে কোনো প্রকার ন্যূনতম কারচুপি হওয়ার বিন্দুমাত্র সুযোগও নেই বলে তিনি জানান।
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সার্টিফাইড একাউন্টেন্ট আবুল হায়াত নুরুজ্জামান বলেন, স্বাভাবিক নিয়মেই বিমান বাংলাদেশ এর যুক্তরাজ্যঅফিসের আর্থিক সব লেনদেন প্রতি বছর নিয়মিতভাবে অডিট হওয়ার কথা। তৎকালীন কান্ট্রি ম্যানেজার শফিকুল ইসলামের কর্মরতসময়কালীন চার বছরের অনিয়ম অডিট পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের নজরে না আসার বিষয়টিও অস্বাভাবিক বলে মনে করেন তিনি।
প্রিয়রঞ্জনের কারণেই ক্ষুন্ন হচ্ছে বিমানের সুনাম
লন্ডনের থেকে আসার পর একের পর এক বিভিন্ন দপ্তরে নানা মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আসছে এই প্রিয়রঞ্জন। বিমানকে জড়িয়ে বিভিন্নমিডিয়ায় বিভ্রান্তকর তথ্য প্রদানের পাশাপাশি নিজস্ব স্বার্থ হাসিলের চেষ্টায় এই প্রিয় রঞ্জন।
নানা মুখরোচক কাহিনী এখন পরিণত হয়েছে টক অব দ্য কমিউনিটিতে। যার কারণে বিমানের দীর্ঘদিনের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে, বিমানেরপ্রতি এক ধরনের অনীহা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান কমিউনিটি নেতা আব্দুল করিম গণি। আর তাই বর্তমান সময়ে লন্ডন ঢাকা রুটেপ্রায়ই অনেকটা যাত্রী বিহীন উড়াল দিতে হচ্ছে বাংলাদেশ বিমানকে।
জানা যায়, লন্ডন–ঢাকা রুটে বোয়িং ৭৭৭ এ যাত্রী আসন সংখ্যা ৪১৯টি থাকলেও গত ১০, ১১, ১২ ও ১৫ মে যথাক্রমে যাত্রীসংখ্যাছিলো ৯০, ১০১, ১০৯ ও ১১০ জন। যা গড়ে আসন সংখ্যার চার ভাগের এক ভাগ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই বিমানের যাত্রী পরিবহন ও কার্গো সেক্টরকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে আরো সম্প্রসারিত করার নির্দেশনাথাকলেও প্রিয়রঞ্জনদের মতো কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার ষড়যন্ত্র ও বিমানের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বিমানবাংলাদেশ। উল্টোরথে এগুচ্ছে কার্গোর সেক্টরের সম্প্রসারণ।
এই সেক্টরের সাথে সম্পৃক্ত ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, বিমান বাংলাদেশের নীতি নির্ধারকরা খুব দ্রুত প্রিয়রঞ্জনের মতো বিমানেরদুর্নীতিবাজ কমর্কতাদের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান চালানো প্রয়োজন। আর তাতেই পুনরায় গতি ফিরে পাবে বাংলাদেশ বিমানের লন্ডনঢাকা রুটের যাত্রী পরিবহন ও কার্গো ।
সূত্রঃ ইউকে বিডি নিউজ ডট কম
