স্টাফ রিপোর্টার : বিমানের এয়ারপোর্ট সার্ভিসে কর্মরত সহকারি ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) আনোয়ার হোসেনের স্ট্যান্ডরিলিজ কি ক্ষুব্দ-বিক্ষুব্দ, বেনামি চিঠি, একজন জিএমের হাত, আদম পাচারকারি গংদের যোগসাজশ নাকি বিমানের সেই বিতর্কিত শামীমা-শাজাহান দম্পতির আক্রোশের শিকার- তা বিমান কর্তৃপক্ষকে ভাবিয়ে তুলছে। এক্সেস ব্যাগেজখোর, আদম পাচার, চান্দা বন্ধ- এ সব পাহাড়া দিতো সহকারি ব্যবস্থাপক আনোয়ার। শামীমাকে বরিশাল এয়ারপোর্টে বদলি ব্যাপারেও নাকি আনোয়ারের হাত ছিল –-এমন অপবাদ দেয়া হতো, কিন্ত বিমানবন্দরে যাদের ২০-২৫ বছর চাকরির বয়স হয়েছে তাদের বদলি করছে বিমান প্রশাসন। শামীমাকে বদলির ফাইলে বড় ম্যানেজার সই করার পর সহকারি ব্যবস্থাপক প্রশাসন হিসেবে আনোয়ার সই করেছে মাত্র। এক্ষেত্রে আনোয়ারের দোষ কোথায়? কিন্ত শামীমা-শাজাহান দম্পতি আনোয়ারকে নাকি দোষারূপ করেছে।
অন্যদিকে এক্সেস ব্যাগেজ খোর, আদম পাচার, চান্দা বন্ধ- এ সব পাহাড়া দেয়া এবং সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত বিএনপি- জামায়াত ঘরানার একজন জিএমের হস্তক্ষেপে সহকারি ব্যবস্থাপক, এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস আনোয়ার হোসেনকে গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাজশাহিতে স্ট্যান্ডরিলিজ করা হয়েছে।
আদম পাচাকারিদের পোয়াবারো : এক্সেস ব্যাগেজ খোর, আদম পাচার, চান্দা বন্ধের ব্যাপারে জোরালে ভুমিকা রাখতো সহকারি ব্যবস্খাপক প্রশাসন আনোয়ার হোসেন। আর এ জন্য বিমানের গ্রাউন্ড সার্ভিসে কর্মরত- যারা প্রতিদিন ভিজিট ভিসায় শত শত আদম পাচার করছে – সেই বিখ্যাত রাজন,মনির , মশিউর,তৌফিক, খালেদ, আমিন (আশকোনা)সানোয়ারদের এখন পোয়াবারো। সহকারি ব্যবস্থাপক প্রশাসন আনোয়ারকে বদলি করায় এদেরকে পাহাড়া দেয়ার কেউ রইলো না। এদিকে শামীমাও আবার শাহজালাল এয়ারপোর্টে আসার পায়তারা করছে বলে জানা যায়। অন্যদিকে বিএনপি- জামায়াত ঘরানার জিএমও নাকি এয়ারপোর্ট সার্ভিসে আসার তদবিরে ব্যস্ত।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
