বিমানে এয়ার কানাডা ফ্লাইট চালুর প্রক্রিয়া : বরিশাল সিন্ডিকেডে মাহবুব : মদিনা থেকে শাহজালালে, অবশেষে গ্রাউন্ডে পা পড়লো : সিন্ডিকেড সদস্য শাহজাহান- শামিমা স্ব স্ব পোস্টিংয়ে বহাল : কর্মচারিদের ওভারটাইম- ছুটি বন্ধ : জিএম’র ্এ্যাকশন

বিশেষ সংবাদদাতা : বাংলাদেশ বিমানে শাহজালালে বরিশাল সিন্ডিকেডে এবার প্রভাবশালী সদস্য মাহবুব যুক্ত হয়েছেন। সারাজীবনের চাকরিতে গ্রাউন্ডে তার পা পড়ে না, তিনি ওপরেই থাকেন্ মদিনা থেকে এবার শাহজালাল বিমানবন্দরে এসেও ওপরেই চাকরি করছেন। সার্ভিসেস জিএম-এর সাথে শলাপরামর্শ করে কর্মচারিদের ছুটি-ওভারটাইম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলে কর্মচারি জানান।
এ দিকে বিমানে এয়ার কানাডা ফ্লাইট চালুর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, ডিসেম্বর নাগাদ তা বাস্তবায়ন হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। ।
শাহজালাল বিমানবন্দরে জিএম’র এ্যাকশন শুরু হয়েছে, এ রিপোর্ট প্রেসে যাবার আগ মুহূর্তে সিন্ডিকেড সদস্য মাহবুবকে নীচে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। কিন্ত শাহজাহান- শামিমা সিন্ডিকেড সদস্যদ্বয় স্ব স্ব পোস্টিংয়ে বহাল, পাচার বাণিজ্য করে শাহজাহান- শামিমা দম্পত্তি লালে লাল।কর্মচারিদের ওভারটাইম-ছুটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছ্,ে একজন কর্মচারিকে দিয়ে ৩ জনের কাজ করানো হলেও কিছু কিছু কর্মচারি বসে বসে বেতন-ভাতা নিচ্ছে বলেও শোনা যায়।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস জেনারেল ম্যানেজার আব্দুল আজিজ জানান, বিমানে সাশ্রয়ের জন্য কর্মচারিদের ছুটি, ওভারটাইম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। গ্রুপ-২-৩ এর কর্মচারিরা গাধার মতো খাটছে অথচ গ্রুপ-৬-এর জনবল বসে বসে আরাম করছে-প্রসংগে জিএম বলেন, ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিমানে এয়ার কানাডা ফ্লাইট চালুর ব্যাপারে তিনি জানান, বিমানের এয়ার কানাডা ফ্লাইট সরাসরি চালু করার প্রক্রিয়া চলছে। আগামি ডিসেম্বরে পরিদর্শন টিম শাহজালালে আসবেন, তারা পরিদর্শন শেষে রিপোর্ট দেয়ার পর এয়ার কানাডা ফ্লাইট চালু হবে।
বিমানের কতিপয় কর্মচারি- কর্মকর্তার ভুয়া ‘ডি’ পাস ব্যবহাল প্রসংগে জিএম জানান, কার্ড এক্সপান্ঞ করে এয়ারপোর্টে প্রুবেশ করতে হয়, কাজেই ভুয়া ‘ডি’ পাস ব্যবহার কেউ করলে ধরা খাবে।
এ দিকে জিএম আজিজের চাকরি ডিসেম্বরে শেষ হবে, তার চাকরি নবায়নের প্রক্রিয়া চলছে। পরিচালক প্র-এর সাথে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠেছে, যদিও পরিচালক প্র.কে গত মার্চে মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে, কিন্ত তিনি এখনও বহাল।দুজনের বাড়িই বরিশালে আন্ঞলিকতা বলে কথা। মাটিতে যার পা পড়েছে সেই মাহবুবের বাড়িও বরিশালে। পরিচালক প্র. এর সাথে মন্ত্র্রণালয়ের সচিব-মন্ত্রীর সুসম্পর্ক , তাই বদলির পরও গত এক বছরেও তিনি বিমান ছেড়ে কোথাও যাননি। তিনি বিমানবন্দরে মন্ত্রীর প্রটোকল করে থাকেন। ফলে মন্ত্রীর নেক আর্শিবাদ পড়েছে। ফলে পরিচালক প্রশাসনের আন্ডারে বরিশালের যারা যারা আছেন- সবাই মিলে বরিশাল সিন্ডিকেড।