বেবিচক : কক্সবাজার এয়ারপোর্টে জেনারেটর দুর্নীতি মামলা: দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা ও ৩ আসামী আদালতে বার বার অনুপস্থিত

স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ-বেবিচকের কক্সবাজার বিমানবন্দরে জেনারেটর দুর্নীতি মামলায় বার বার মামলার আয়ু এবং বেবিচকের ২ প্রকৗশলী ও ঠিকাদার আদালতে হাজির হচ্ছেন না। গত ২২ অক্টোবর সাক্ষীর দিন ধার্য থাকলেও মামলার আয়ু দুদকের বিতর্কিত উপপরিচালক মাহবুবুল হক এবং বেবিচকের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শহিদুল আফরোজ,  নির্বাহী  প্রকৌশলী ইএম  মিহির চাদ দে,  অবসরে যাওয়া সহকারি প্রকৌশলী ইএম ভবেশ চন্দ্র রায় আদালতে হাজির হননি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ঢাকা ইন্টারন্যাশনালের মালিক, জিয়া পরিষদ নেতা শাহাবুদ্দিন আদালতে হাজির হন। ফলে বিচারক মামলার কার্যক্রম শুরু করতে পারেননি।
এর আগেও গত ১৭ সেপ্টেম্বর দুদকের ডিডি, মামলার আয়ু মাহবুবুল হক আদালতে হাজির থাকলেও প্রকৌশলী শহিদুল আফরোজ, ভবেশ চন্দ্র রায় এবং নির্বাহী প্রকৌশলী মিহির চাদ  দে  আদালতে সশরীরে হাজির হনননি।
এ মামলার আযু, দুদকের উপপরিচালক মাহবুবুল হক, বেবিচক প্রকৌশলী শহিদুল আফরোজ, সহকারি প্রকৌশলী ভবেশ চন্দ্র রায় এং ঠিকাদার শাহাবুদ্দিন বার বার সাক্ষীর নির্ধারিত হাজিরা তারিখে আদালতে হাজিরা না থাকায় মামলার কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে এবং মামলা শেষ হতে সময়ক্ষেপণ হচ্ছে। আর মোক্ষম সময়ক্ষেপণ করে মামলার শেষ রায় বিলম্বিত হতে হতে বেবিচক প্রকৌশলী শহিদুল আফরোজ আগামি ৩১ ডিসেম্বর হয়তো ফুল পেনশন নিয়ে বেবিচক থেকে পিআরএল-এ চলে যাবেন।
উল্লেখ্য, মামলার আসামী থাকাবস্থায় প্রকৌশলী ভবেশ চন্দ্র রায় ফুল পেনশন নিয়ে বাড়ি গেছেন। মামলার শেষ রায়ে তার সাজা হলে কি তিনি সরকারি পেনশন ফেরত দেবেন-এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।
প্রকৌশলী শহিদুল আফরোজও একই পথে হাটছেন বলে অনেকে মনে করেন।