বেবিচক : কেরানি লিটন চন্দ্র দাসের পরকীয়ার বলি আছমা: রাজশাহীতে বদলির পরও হেড কোয়ার্টার প্রশাসনে ঘাপটি মেরে আছে কেরানি লিটন দাস : আছমাকে মারধর করে মারাত্মক আহত

স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ-বেবিচক সদর দপ্তরের প্রশাসন বিভাগে কর্মরত লিটন চন্দ্র দাসের পরকীয়ার বলি আছমা। তারা একই বিভাগে দীর্ঘদিন চাকরি করার সুবাধে তাদের মধ্যে প্রেম প্রেম ভাব গড়ে ওঠে। সময়ের বিবর্তনে তা পরকীয়ার গড়ায়। আছমাকে ফুসলিয়ে ফুসলিয়ে পরকীয়ার দিকে ঠেলে দেয় লিটন চন্দ্র দাস। তাদের পরকীয়ার এ সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। এক পর্যায়ে তা অফিসে এবং ঈর্শাল কলোনীতে ফাস হয়ে যায়। কিন্ত বাধ সাধে দুজন দুধর্মের। বিষয়টি অফিসে, ঈর্শাল কলোনীতে চাউড় হয়ে পড়ে।
এর জের ধরে লিটন চন্দ্র দাস এবং তার বউ মিলে আছমাকে বেধড়ক মারধর করে, মারাত্মক আহত হয় আছমা। তার মাথায় , চোখে মুখে ইট দিয়ে আঘাত করা হয়। অল্পের জন্য তার চোখ দুটি রক্ষা পায়, ইটের আঘাতে তার মুখমন্ডল ফুলে যায় । ঘটনা ঈর্শাল কলোনী থেকে বেবিচক হেড কোয়ার্টার পর্যন্ত গড়ায়।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারী বেবিচক প্রশাসন দুজনকেই সদর দপ্তরের প্রশাসন বিভাগ থেকে থেকে বদলি করে দেয়। কেরানি লিটন চন্দ্র দাসকে শাহ মখদুম, রাজশাহী বিমানবন্দরে বদলি করা হয় আর আছমাকে সদর দপ্তরের প্রশাসন বিভাগ থেকে শাহজালাল বিমানবন্দরে বদলি করা হয়।
কিন্ত ঘটনার প্রায় দেড়মাস অতিবাহিত হলেও কেরানি লিটন চন্দ্র দাস সদর দপ্তরের প্রশাসন বিভাগে এখনও বহাল। তাকে সদর দপ্তরের প্রশাসন বিভাগে আগলে রাখা হয়েছে।
এ দিকে কেরানি লিটন চন্দ্র দাস ঢাকায় থেকে আছমাকে নানা ভয়ভীতি ও হুমকি-ধামকি দিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কেরানি লিটন চন্দ্র দাস বেবিচকের ঈর্শাল কলোনীতে একটি ক্লাব গড়ে তুলেছে, বেবিচকের জায়গায় অফিস ঘর নির্মাণ করেছে। লিটন ওই ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক। ওই ক্লাবে অনৈতিক কাজ-কারবার হয়ে থাকে বলে এলাকাবাসীরা জানান। এলাকাবাসি বেবিচকের জায়গায় অননুমোদিত ভাবে গড়ে ওঠা ক্লাব এবং ক্লাবকে ঘিরে নানা অনৈতিক কাজ বন্ধে বেবিচক প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চায়।