স্টাফ রিপোর্টার : সিভিল এভিয়েশন অথরীটির অধীনে ঢাকার বাইরের ১০টি বিমানবন্দরের মধ্যে যশোহর বিমানবন্দর সামাদনামার কারণে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবার উপক্রম। ম্যানেজার- সামাদ ককটেল, দেখার কেউ নেই। ঘাসকাটা থেকে শুরু কওে বাসা বরাদ্ধ পর্যন্ত দুর্নীতি-অনিয়ম-অপরাধ ঠাই নিয়েছে, সামাদ রামরাজত্ব করছে। দীর্ঘদিন সামাদের রামরাজত্বেও খতিয়ান লম্বা হলেও লাগাম টেনে ধরার কেউ নেই। ঢাকার সদর দপ্তর থেকে কালেভদ্রে কোন কর্মকর্তার যশোহরে আগমন ঘটলেও সামাদ তুষ্টিতে সন্তুষ্ট হয়ে ভুরিভোজ করে নজরানা নিয়ে ঢাকায় ফিরে আসেন, ফলে সামাদ তার রামরাজত্ব বহাল রেখেছে।খুলনার ফুলতলায় তার আলিশান বাড়ি রয়েছে বলে কর্মচারিরা জানান। বিভিন্ন বিশেষ দিনে যশোহর বিমানবন্দরকে সাজানোর নামে পছন্দেও ঠিকাদারের সাথে সমঝোতায় বাজেটের কিছু টাকা খরচ করে বাকি টাকা ওরা লুটপাট করছে।
সামাদের রামরাজত্বের ঘোষণা একুশে বার্তার অন লাইন/ অফলাইনে প্রকাশিত হবার পর এবার বিস্তারিত প্রতিবেদন তুলে ধরা হলো।
যশোহর বিমানবন্দরে বিভিন্ন বিষয় ও খাতে অনিয়ম, অপরাধ, দুর্নীতি অবাধে চলছে। অত্র বিমানবন্দরের কর্মচারিরা জানান, মুজিববর্ষ অনুষ্ঠানে জামায়াতের কথিত সক্রিয় সদস্য সামাদ গংদের দখলে। মুজিববর্ষের অনুষ্ঠান করে জামায়াতের লোক।
আবাসিক বাসা বরাদ্দে প্রশাসন শাখার সামাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ এবং সাবেক ও বর্তমান ম্যানেজারের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরেই বাসা বরাদ্দে ঘুষ ও হরিলুট চলে আসছে।দেখার কেউ নেই।দূরদূরান্ত থেকে আসা কিছু নিয়মিত কর্মচারিরা বাসা বরাদ্দে আবেদন করলে মোটা অংকের ঘুষ না দিলে কেউ বাসা বরাদ্দ পায় না। কেউ কোন রকম কোন প্রতিবাদ করলে ম্যানেজারকে দিয়ে তাদেরকে বদলিসহ নানা হয়রানি করে থাকে, হুমকি দেয়া হয় ।
সামাদের বাড়ি সাতক্ষীরা, জামায়াত-শিবিরের কথিত সক্রিয় সদস্য। খুলনার ফুলতলায় আলিশান, নামে-বেনামে অঢেল সম্পত্তি- যা তদন্ত করলেই বের হয়ে আসবে।যখনই যে ম্যানেজার এখানে আসেন তাকেই ম্যানেজ করে ফেলে আ. সামাদ, তাকে বলা হয় ম্যাজেমাস্টার।ডানহাতের ভ’মিকা থেকে অপকর্ম চালিয়ে যায়্। অত্র বিমানবন্দরে নিরাপত্তা পাস থেকে শুরু করে সকল ধরনের বিঙাপন, টেন্ডার, ঠিকাদারি কাজ সামাদের কব্জায়। রানওয়েতে ঘাস কাটার নামে অপকর্মের হোতা সামাদ ও বর্তমান ম্যানেজার।
।
, সাবেক প্রয়াত একজন ম্যানেজারের আমলে এই সামাদ সাতক্ষীরায় একটি গ্রুপ দিয়ে তার মনের মতো একটি কমিটি (ওয়েলফেয়ার কমিটি) তৈরি করে। সেই কমিটির সদস্য ছিলেন এফওডি সালাম, সেক্রেটারি হিসাব শাখার হিসাবরক্ষক, এরা সকলে মিলে অত্র বিমানবন্দরে ওয়েলফেয়ার মার্কেটে কিছু নতুন দোকান বানিয়ে তার একটি দেলোয়ারের নামে বরাদ্দ দেয় এবং সেইৃ টাকার কোন হদিস নাই। দেড় থেকে ২ লাখ টাকা হাৃিতয়ে নিয়ে দোকান বরাদ্দৃ দেয়া হৃেয়ছে।ৃ লুটপাট চলছে ।ৃ কোন কোন কর্মচারি ওয়েলফেয়ারের হিসাব চাইলে এক পর্যায়ে অবস্থা খারাপ বুঝে সামাদ বিমানবন্দর ম্যানেজারকে দিয়ে একটা হিসাব ধরিয়ে দেয়। পুরাতন কমিটি বাতিল করে নতুন করে সামাদ গংরা মনগড়া কমিটি করে লুটপাট করছে, তদন্ত হলে থলের বিড়াল বের হয়ে আসবে।
মজিববর্ষ ও জাতীয় যে কোন অনুষ্ঠানে সদর দপ্তর থেকে দেয়া বরাদ্দকৃত অর্থ কিছু ব্যানার ফেস্টুন করে বাকি অর্থ পকেটস্থ করা হয় সামাদ গংদের ইশারায়। অথবা নামে বেনামে ঠিকাদারের মাধ্যমে কাজ দেখিয়ে তা আত্মসাত করা হয়। বার্ষরিক অনুদান ও ২টি হলিকালচারের জন্য বরাদ্দকৃত টাকা অনেক সময় কাজ না করেই বা কিছু কাজ করে বাকি টাকা আত্মসাত করা হয়।
ফায়ার স্টেশনের অবস্থা শোচনীয়। অগ্নি নির্বপকের গাড়ি মেরামতের নামে চরম লুটপাট চলে, অগ্নি নির্বাপকের গাড়ি রানওয়েতে দিনে ১ বার যাবার কথা থাকলেও সপ্তায় বা ১৫ দিনেও একবার যায় না। প্রতিদিনের বরাদ্দকৃত তেল কোথায় যায়? এ প্রশ্ন ওঠেছে।
মাঝেমধ্যে যখন হেডকোয়ার্টারের কতিপয় কর্মকর্তা এখানে আসেন তখনই ম্যানেজারের নেতৃত্বে সামাদ গংরা ব্যস্ত হয়ে পড়েন, তেল মর্দনে ব্যস্ত থাকে। এটাই ওদের দুর্নীতি, অনিয়ম কারবারের তেলমদৃর্ওন।
এ ছাড়া ইম শাখার উন্নয়নের নামে চুরির মহোৎসব চলছে দীর্ঘদিন ধরেই- যা দেখার কেউ নেই। এভাবে দুর্নীতি চলতে থাকলে এ প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের বেশি সময় লাগবে না। চলবে
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
