বিশেষ সংবাদদাতা : হযরত শাহজালাল বিমান বন্দরে কি দ্বৈত প্রশাসন চলছে- এ প্রশ্ন করছেন খোদ শাহজালালে কর্মরতরাই। সিভিল প্রশাসন এবং বিমান বাহিনীর জনবল দ্বারা সমন্বয় প্রশাসন সমান্তরাল ভাবে চলছে। তবে কব্জায় বিমান বাহিনীর প্রশাসনিক ব্যবস্থা। এই প্রশাসনের কি-পয়েন্টে বসে থাকা কর্তাব্যক্তি শাহজালালের বিমান নামা থেকে শুরু বিমান কোন বেতে, কোন রোতে সংযোাগ করা হবে তাও নির্দেশনা দিয়ে জানাচ্ছেন। বিমান বাহিনীর জনবল দ্বারা পরিচালক (নিরাপত্তা) , এএসএম-১ থেকে এএসএম-৭ পর্যন্ত কলসাইন সৃষ্টি করে বিমান বাহিনীর জনবল দ্বারা তা পূরণ করা হয়েছে। মাদার ডিপারমেন্ট বা সিভিল প্রশাসনের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা বা সিএসও পদটি -যে পদটি উচ্চ আদালতের আদেশে সেনা প্রশাসনের বদলে সিভিল প্রশাসন থেকে পূরণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে- সেই পদেও জনবলকে অকর্মণ্য করে রাখা হয়েছে। উপ-পরিচালক পদটি অকর্মণ্য করার পায়তারা চলছে বলে শোনা যায়। এয়ারপোর্ট ডিউটি অফিসার বা ডিএফও পদটিতে বিমান বাহিনীর জনবল দ্বারা বহাল করা হয়েছে। আর এ সবই করা হচ্ছে বিমান বাহিণী থেকে প্রেষণে আগত পরিচারক শাহজালালের কর্তৃত্বে।
আর নিরাপত্তা সহায়তার কথা বলে ৩ মাসের জন্য সিভিল প্রশাসনকে সহায়তার জন্য বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয়ে এভসেক গঠন করে ৩ মাসের বদলে ৩ বছর হলেও এভসেক বিমানবন্দরে খুটি গেড়ে বসেছে। এদের পেছনে একটি একটি ট্রেনিংয়ে কোটি কোটি টাকার টাকা খরচ করে ৩ মাস পর পর বদলি হয়ে যাবার ফলে সরকারের এই কোটি কোটি টাকা খরচ কোন কাজেই আসছে না। অথচ এই টাকা সিভিল প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেছনে খরচ করে দক্ষ জনবল গড়ে তুললে তা সরকারেরই সহায়ক হিসেবে কাজ হতো। এই ট্রেনিংয়েও নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিমান বাহিনী থেকে এভসেক সদস্য ম্যানেজার ট্রেনিং পদবীতে বহাল হয়ে। মাঝেমধ্যে বিমানবন্দরে সার্বিক নিরাপত্তাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ছে। বিমানবন্দরে অস্ত্র নিয়ে প্রবেশ , আনসার সদস্য খুন- নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। মানব পাচারের ঘটনায় বর্হিবিশে^ বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। যুদ্ধাপরাধীর নিকট আত্মীয়দেরও বিমানবন্দরে ভিআইপি ব্যবহারে তোলপাড় শুরু হয়। ফ্লাইট নিষিদ্ধের সময়ও মামলার এফআইআরভুক্ত আসামিরা বিমানবন্দর দিয়ে বিদেশে পালিয়ে যায়। অথচ পরিচালক বলেন, এটা ইমিগ্রেশনের ব্যাপার।
বিমানবন্দরে শুধু সিভিল প্রশাসনকে অকর্মন্য করে রাখা হয়েছে- তা নয়- বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয়ে এভসেক বাহিনীর সদস্যরা এভসেক সদস্য বিমান বাহিনীর প্রশাসনিক নেতৃত্বে কোণঠাসা হয়ে, ভাতাসহ অন্যান্য সুযাগ-সুবিধা থেকে বৈষম্যের শিকার হয়ে ফুসে ওঠছে বলে জানা গেছে। এভসেক সদস্য- যারা আনসার বাহিনী থেকে আগত যারা স্বল্প শিক্ষিত, সাধারন আনসার বাহিনীর সদস্য তাদেরকে ৭ দিনের ট্রেনিংয়ে মেশিনে বসিয়ে দেয়া হচ্ছে, শুধু তাই নয়- এই আনসার সদস্যদের প্রধানমন্ত্রীর ভিভিআইপি মুভমেন্ট চলার সময়ে আর্মস ছাড়াই এন্ট্রি হাইজেকিং পয়েন্টে ডিউটিতে দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে। চলবে
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
