শাহজালালে মানব পাচার : অবশেষে গোয়েন্দা জালে বিমানের ট্রাফিক বিভাগের সুমন : অতপর : সিএএবির নিরাপত্তা রক্ষী আমিনুলের সহায়তায় (বি পালা) পাচারকৃত ৩ মানবের পাসপোর্টে সীল মারে ইমিগ্রেশন পুলিশের সি পালার এসআই মাহমুদ , আইনেস করে এসআই বাতেন

বিশেষ সংবাদদাতা : হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের আলোচিত মানব পাচারসহ স্বর্ন, মাদক, হুন্ডি পাচারের গডফাদার বলে খ্যাত, যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে একাধিক গোয়েন্দা রিপোর্ট হয়েছে, পাচার বাণিজ্য করে চুনোপুটি থেকে যিনি আজ কোটিপতি , যিনি নিজকে মুসলমান ধর্ম গ্রহণ করেছেন বলে বলে বেড়ান- বিমানের ট্রাফিক বিভাগে কর্রত সেই সুমন অবশেষে গোয়েন্দা জালে ধরা পড়েছে। একটি গোয়েন্দা সংস্থা তাকে (সুমন) গত ১৪ জুলাই মানব পাচার সংক্রান্ত অভিযোগে শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করে। রাতভর তাকে গোয়েন্দা অফিসে বসিয়ে রাখা হয়। সকালে তার মোবাইল ও ‘ডি’ পাস গোয়েন্দা হেফাজতে রেখে বাথরুম করতে গিয়ে পালিয়ে যায়। পরে আর তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি গোয়েন্দা সংস্থা। পালিয়ে বেড়াচ্ছে সুমন, সে আর ডিউটি পোস্টে ডিউটি করছে না বলে বিমান সূত্রে জানা যায়। তাকে চাকরিচ্যুত্য করার প্রক্রিয়া চলছে।
বিমানবনন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেেেছ, বিমানের সিকিউরিটি গার্ড তরিকুল (ফরিদপুর), হুইল চেয়ারম্যান বা হুইল চেয়ারের ডিউটিরত শাহজাহান, আনোয়ার, ট্রাফিক হেলপার আমির হোসেন, এমটি হেলপার (আগে ট্রাফিক হেলপার) ওবায়েদ বিমানবন্দরে মানব পাচারসহ বিভিন্ন পাচার কাজে জড়িত। জিএম নূরুল ইসলাম হাওলাদার ওদের বস। বসকে খুশি করেই এই সুমন চক্র বিমানবন্দরে অপরাধমুলক কাজ করছে, নজরানা পাচ্ছে নূরুল ইসলাম হাওলাদার।
এছাড়া সিভিল এভিয়েশনের চকিদার সুমন, গনি, আতিক,মানিক, জালাল সরকার, হাবিব তালুকদার, মনির, সাইফুল, আমিনুল ইসলাম, ফরিদ, হাবিব ওরফে খিলক্ষেত হাবিব, রহিম ওরফে নোয়াখালির রহিম, নিরাপত্তা অপারেটর হান্নান ঢালি, মহসিন ভুইয়া ( কুমিল্লা), মতিন, মাকসুদ (চাকরিচ্যুত্য) , রাকিব, শেখ মুস্তাক, রফিক ওরফে সোনা রফিক, সাবেক চকিদার জাহাংগীর, নিরাপত্তা সুপার খলিল, রবিউল, টিপু, চকিদার হিজবুল বাহার,আশরাফ, কাওসার, প্রটোকলের মফিজ (এল আর), সুলতান, চকিদার মোতালেব খান, শেখ মেজবাহ মিজানুর রহমান খান নয়ন , সোলেমানসহ সিএএবির ক্লিনার, ট্রলিম্যান, বিভিন্ন এয়ার লাাইন্সের কর্মচারী, ম্যানপাওয়ার ডেক্সের লোকজন, ইমিগ্রেশন পুলিশ শাহজালাল বিমানবন্দরে মানব পাচারে জড়িত রয়েছে।
এরমধ্যে সিএএবির নিরাপত্তা গার্ আমিনুল ইসলাম ওরফে পাতলা আমিনুলের সহায়তায় গত এপ্রিলে ৩ আদম মধ্যপ্রাচ্যে পাচার হয়ে যায়। ইমিগ্রেমন পুলিশের সি পালার সীলার এসআই মাহমুদ ওই পাচারকৃত ৩ আদমের পাসপোর্টে সীলার করে অর্থাৎ সীল মারে। শেষ আইনেস করে সি পালার বাতেন। পরে ৩ আদমকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। এ ব্যাপারে বিমানবন্দর থানায় মামলা হয়।
এ ব্যাপারে সি পালার এসআই বাতেন জানান, আমার ডিউটি ছিল ৬ নং গেটে, আদম পাচার হয়ে যায় ৭ নং ব্রোডিং ব্রীজ গেট দিয়ে।