শাহজালালে মানব পাচার বন্ধে ইমিগ্রেশন পুলিশের বন্ড সই

বিশেষ সংবাদদাতা : আকাশ পথে মানব পাচারের নিরাপদ রুট হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর দিয়ে মানবপাচার বন্ধে বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের বন্ডসই নেয়া শুরু করেছে স্বস্ব কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ইমিগ্রেশন পুলিশের নাম সবার মুখে মুখে। তিন পালায় কর্মরত প্রায় ২৪০ জন ইমিগ্রেশন পুলিশ- যারা সীলার এবং প্রটোকল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তাদের থেকে এসএস ইমিগ্রেশন বন্ডসই নিয়েছেন- এই মর্মে যে, কেউ আদম পাচার করতে গিয়ে ধরা পড়লে চাকরি চলে যাবে, কেউ সুপারিশ করবে না, প্রচলিত আ্ইনের আওতায়ও আনা হতে পারে। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।
সুত্রমতে, শাহজালাল বিমানবন্দরে কর্মরত ইমিগ্রেশন পুলিশের প্রতি পালায় ৮০ জন পুলিশ অফিসারের থেকে মানব পাচাররোধে বন্ডসই নেয়া হয়েছে। এখন আর দালাল কর্তৃক ভুয়া পাসপোর্ট.টিকিটে, গলাকাটা পাসপোর্টে, ভিজিট ভিসায় বিশে^র বিভিন্ন দেশে ইমিগ্রেশন পুলিশের সীলে আদম পাচার হবে না।এরপরও কোন কোন অসাধু ইমিগ্রেশন পুলিশ কর্মকর্তার সীলে আদম পাচার হয়ে থাকলে সেই পুলিশ কর্মকর্তার চাকরি চলে যাবে। বন্ডসইয়ে এমন সতর্ক বার্তারই ঈংগিত দেয়া হয়েছে।
সূত্রমতে, মানব পাচাররোধে ইমিগ্রেশন পুলিশের বন্ডসই নেয়ার পর থেকে গত কয়েক দিনে অবৈধভাবে একজন আদমও পাচার হয়ে বিদেশে যেতে পারেনি। স্ব স্ব শিফটের ওসি ইমিগ্রেশন মানব পাচাররোধে বিমানবন্দরে নজরদারি করছেন, এসএস ইমিগ্রেমন তা তদ্রাকি করছেন, মাঠ কর্মকর্তারা তা পালনে বদ্ধপরিকর। ফলে শাহজালাল বিমানবন্দরে এক ভীতিকর অবস্থা বিরাজ করছে।
সূত্রমতে সিএএবি, বিমান, বিভিন্ন এয়ার লাইন্সের শতাধিক নিরাপত্তা কর্মী/ কর্মকর্তা- যাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন তালিকা প্রকাশ করেছে- তারা হতাশায় ভুুগছেন। তারা আবার মানবপাচার চালু করতে ইমিগ্রেশন পুলিশকে তোষামোদ করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আলাপচারিতায় ইমিগ্রেশন পুলিশ সদস্য জানান, মানব পাচার রোধে আমাদের থেকে বন্ডসই নেয়া হয়েছে। মানবপাচার করতে গিয়ে ধরা খেলে কেউ দায়িত্ব নেবে না।