বিশেষ সংবাদদাতা : হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে কর্মচারীদের কল্যাণের নামে গড়ে তোলা ‘ওয়লফেয়ার কমিটি’র নামে মাসে কোটি টাকা লুটপাট করা হচ্ছে বলে কর্মচারীরা অভিযোগ করেছেন। ৫ বছর ধরে এই সংগঠনের কোন কমিটি নেই, গঠনতন্ত্র নেই, অডিট নেই- এমনকি সংগঠনের কোন রেজিস্ট্রেশন পর্যন্ত নেই। পদাধিকার বলে সংগঠনের সভাপতি শাহজালাল বিমানবন্দরের পরিচালকের পকেট কমিটি দ্বারা এই সংগঠনটি দীর্ঘদিন যাবত চলছে।
কমিটির সাথে সম্পৃক্ত কর্মচারীরা আলাপচারিতায় জানান, ২ বছর আগে কমিটি গঠনে তোরজোর শুরু হয়, প্রত্যেক ইউনিট থেকে প্রতিনিধির নাম জমা দেয়া। কিন্ত তা পরবর্তীতে ভেস্তে যায়। পরে কর্মচারিদের আপত্তিরমুখে বিষয়টি সিএিএবির চেয়ারম্যান পর্যন্ত গড়ায়। কিন্ত এখন পর্যন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি।
কাওলার বাজারে সিভিল এভিয়েশনের জায়গায় বিশাল ‘ওয়েলফেয়ার মার্কেট’ গড়ে তোলা হয়েছে। এই মার্কেট থেকে মাসে প্রায় ১ কোটি টাকা ভাড়া বাবদ আদায় করা হয়। সভাপতির পক্ষে এই ভাড়ার টাকা আদায় করেন পকেট কমিটির সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেন।
শাহজালাল বিমানবন্দরে অবস্থিত কোটি টাকা মেরে দেয়ার অপরাধে ‘কনক’ নামে একটি দোকান বন্ধ করে দেয় সিএএবি কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে মামলাও নাকি চলমান। কিন্ত শাহজালালের এই ‘কনক দোকানটি’ পরিচালক শাহজালাল বিমানবন্দর কোন ওপেন টেন্ডার ছাড়াই ‘ঘুপচি টেন্ডারে’ ওয়েলফেয়ার কমিটির নামে এক মিডিয়া সর্দারকে ভাড়া দিয়েছে বলে জানা যায়।
ইতিপূর্বে এই ওয়েলফেযার কমিটি বিভিন্ন ধর্মীয় পার্বণে দু:স্ত কর্মচারীদের সাহায্য-সহয়োগিতা করতো, কোরবানির ঈদে ২-৪টি গরু জবাই করে কর্মচারীদের মধ্যে গোশত বন্টন করা হতো, রোজার ঈদেও কর্মচারিদের পায়জামা-পানজাবি দেয়া হতো। কিন্ত এখন এ সবের বালাই নেই। চলবে
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
