শিক্ষা মন্ত্রীর সাবেক মেয়ের জামাতা ইমরান এইচ সরকার কি গ্রেফতার হচ্ছেন?

একুশে বার্তা ডেক্স : সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনে উস্কানি দেয়ার অভিযোগে ফেঁসে যাচ্ছেন গণজাগরণ মঞ্চের একাংশের মুখপাত্র , শিক্ষা মন্ত্রীর মেয়ের সাবেক জামাতা ড. ইমরাইন এইচ সরকার।

আন্দোলনে উস্কানি দিয়েছিলেন এমন ২০ থেকে ২৫টি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও পেজ ইতিমধ্যে শনাক্ত করেছে পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগ। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ইমরান এইচ সরকারের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট।

এদিকে আন্দোলনের যারা ফেসবুক বা সামাজিকমাধ্যমে উস্কানি দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

অন্যদিকে পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) নাজমুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘মৃত্যুর গুজব ও উস্কানিমূলক পোস্ট দেয়া ২০-২৫টি অ্যাকাউন্ট সাসপেক্ট করা হয়েছে।’

মন্ত্রী ওই অনুষ্ঠানে ফেসবুকে একজন নিহতের খবর ছড়িয়ে দেয়ার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘খবরটি ভাইরাল হয়ে যায়। তবে যে ছেলেটি মারা গেছে বলে গুজব ছড়ানো হয় সেই পরে ফেসবুকে নিজের পরিচয় দিয়ে জানায় যে, সে মারা যায়নি। এতে পরিস্থিতি শান্ত হয়।’

এ সময় সাংবাদিকরা মন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন, ‘এই স্ট্যাটাসটি প্রথম দেন ইমরান এইচ সরকার। আপনারা তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেবেন?’

উত্তরে মন্ত্রী নাম উল্লেখ না করে বলেন, ‘সে একা নয়। তার সঙ্গে আরও আছে। যারাই এই কাজটি করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইসিটি অ্যাক্টে মামলা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের খোঁজখবর নিচ্ছে।’

রোববার ইমরান এইচ সরকারের অ্যাকাউন্ট থেকে স্ট্যাটাস দিয়ে লেখা হয়েছিল, ‘পুলিশের গুলিতে আহত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী কিছুক্ষণ আগে মারা গেছেন।’

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্র জানায়, ইমরান এইচ সরকারের অ্যাকাউন্ট থেকে একাধিক স্ট্যাটাস দেয়া হয়েছিল। এক শিক্ষার্থীকে পুলিশ হত্যা করেছে বলেও ইমরানের অ্যাকাউন্ট প্রচার করা হয়। কিন্তু সেটি ছিল মিথ্যা।

আন্দোলনে আবু বক্কর সিদ্দিকি নামে এক শিক্ষার্থীর অজ্ঞান হয়ে যায়। অজ্ঞান অবস্থার তার ছবি তুলে নিহত হয়েছে বলে প্রচার করা হয় জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। যুগান্তর