সিএএবিতে কেরানি এরশাদ-এক্সইএন শহিদুজ্জামানের ঘুষ দুর্নীতি : লাটভাইদের আবির্ভাব : আমেরিকায় বাড়ি, রাজলক্ষীতে দোকান অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক

বিশেষ সংবাদদাতা : সিভিল এভিয়েশনের ইন্ঞিনিয়ারিং বিভাগের সিডি-২-এ এক পোস্টিংয়ে ১৭ বছর ধরে কর্মরত কেরানি এরশাদুল করিম এবং নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুজ্জামানের ঘুষ-দুর্নীতি রুখবে কে? নির্বাহী প্রকৌশলীর নির্দেশে কেরানি এরশাদ ঠিকাদারি কাজের ইস্টিমেট থেকে শুরু ফাইনাল বিল পর্যন্ত প্রতিটি ঠিকাদারি কাজ থেকে শতকরা ৫ ভাগ হারে ঘুষ আদায় করে নিচ্ছে বলে দুদক জানতে পেরেছে। দুদক নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুজ্জামানকে তলব করলেও কেরানি এরশাদুল করিম এখনও ধরাছোয়ার বাইরে রয়ে গেছে। তাকে কতিপয় প্রভাবশালী ঠিকাদার ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ শেল্টার দিয়ে থাকে বলে কথা ওঠেছে। এর মধ্যে সিএএবিতে লাটভাইদের আবির্ভাব ঘটেছে। এই লাটভাইরা দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করার জন্য রিপোর্টারের প্রতি বিষোদগার করছে। ঘুষ-দুর্নীতির বিষয় ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য এই লাটভাইরা তাদের কোটি কোটি টাকার ঠিকাদারি কাজ ইজিপি ও ইজিপির বাইরে ম্যানুয়িলি করছে বলেও শোনা যায়। আর নির্বাহী প্রকৌশলীও তাদের ঠিকাদারি কাজের ফাইল নিজে উদ্যোগ নিয়ে প্রশাসনিক থেকে সব মন্ঞুরি করিয়ে দিচ্ছে। এই লাটভাইরা সিডি-০২-এর শীতাতপ কক্ষে চায়ের কাপ গরম করে এক্সইনের সাথে গালগল্পে মেতে ওঠছে। এটা প্রতিদিনের রুটিন ওয়ার্ক।
সিডি-২-এ ১৭ বছর যাবত কর্মরত কেরানি এরশাদ নিজেও ঠিকাদারি করছে। তার তিনটি ঠিকাদারি কাজ প্রশাসনিক মন্ঞরি হয়েছে, চেয়ারম্যানের থেকে পাস করার প্রক্রিয়া চলছে। সিএএবির প্রশাসন কেরানি এরশাদুল করিমকে এখনও বদলির উদ্যোগ নেয়নি। ডিডি প্রশাসনকে তার ফাইল পুটআপ দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। টেবিলে টেবিলে ঘুষের টাকায় শ্রাদ্ধ করায় তাকে বদলি করতে সময়ক্ষেপণ করছে বলে সিএএবি সূত্রে জানা গেছে। এক্সইনের নির্দেশে কেরানি এরশাদ ঘুষ বাণিজ্য করে থাকে বলে ঠিকাদাররা বলাবলি করছে।
নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুজ্জামানের আমেরিকায় বাড়ি, উত্তরার রাজলক্ষীতে ৪টি দোকান, বয়স টেম্পারিং করে চাকরিতে যোগদান- এসবই দুদক জানতে পেরেছে। কিন্ত সুচতুর এই প্রকৌশলীর নামে কোন সম্পদ নাই, সবই বেনামে। তিনি ঘুষ ছাড়া কোন ঠিকাদারি কাজের ফাইলে সই করেন না বলে ঠিকাদাররা বলে বেড়ান। তিনি যখন সদর দপ্তরে বসতেন তখন তিনি ফাইল করতেন বাংলাদেশে আর ঘুষ নিতেন ডলারে আমেরিকায় বসা তার স্ত্রী, আত্মীয়স্বজন মাধ্যমে। তিনি ইতিপূর্বে ৮ লাখ টাকার একটি ঠিকাদারি কাজের ফাইল ৮০ লাখ টাকা করে ততা¡বধায়ক প্রকৌশলী শহিদুল ইসলামের সই নিতে গেলে তিনি সই না করায় তাকে তার বাহিনী দিয়ে অফিসে লান্ঞিত করা হয়।এ নিয়ে তদন্ত হয়। বেশ কিছুদিন যাবত ওই তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হুমকির মুখে আনসার বাহিনীর সদস্যদের প্রটোকলে অফিস করতেন। এ ঘটনার পর প্রকৌশলী শহিদুজ্জামানকে সিডি-২ থেকে সরিয়ে সদর দপ্তর ডিজাইন শাখায় পোস্টিং করা হয়। কিন্ত আবার তাকে সিডি-২-এ বদলি করা হয়। ক্রমশÑ