স্টাফ রিপোর্টার : সিভিল এভিয়েশনের ইএম বিভাগের ৬ প্রকৌশলীকে ঢাকার বিভিন্ন দপ্তরে এবং ২জনকে সিলেট ওসমানি বিমানবন্দরে বদলি করা হয়েছে। এদের মধ্যে কক্সবাজার বিমানবন্দরে এসি কেলেংকারির একটি দুর্নীতি মামলা বিচারধীন অবস্থায় সংযুক্ত নির্বাহী প্রকৌশলী মিহির চাদ দে-কে প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তরে পদায়ন করা হয়েছে। গত ১৯ মে সহকারি পরিচালক প্রশাসন মো. তিরান হোসেন স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক চিঠিতে এ রদবদল করা হয়।বদলিকৃতদের মধ্যে ইএম-২-এর চলতি দায়িত্বের নির্বাহী প্রকৌশলী মনজুর হোসেনকে ইএম-১-এ পাওয়ার হাউজে এবং পাওয়ার হাউজে কর্মরত উপবিভাগীয় প্রকৌশলী এনএসএম ওয়াহিদুল ইসলামকে সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে, থার্ড টার্মিনালের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম রাসেলকে আবার ইএম-২-এ, জাকিয়া সুলতানাকে প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে ইএম-১-এ শাহজালাল বিমানবন্দরে এবং চলতি দায়িত্বের নির্বাহী প্রকৌশলী খোরশেদুল ইসলামকে পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও মনিটরিং –এ সিএএবির সদর দপ্তরে বদলি করে সিলেট বিমানবন্দরে পদায়ন করা হয়েছে।
একই দাপ্তরিক চিঠিতে সিভিল এভিয়েশনের কক্সকাজার বিমানবন্দরে এসি কেলেংকারির মামলায় ৬ প্রকৌশলীর মধ্যে নির্বাহী প্রকৌশলী ইএম মিহির চাদ দে গত ২০ মে সিএএবিতে যোগদান করেছেন। তাকে প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তরে পদায়ন করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার বলে নির্বাহী প্রকৌশলী মিহির চাদ দে বলেন, নতুন করে যোগদান নয় আমাকে পদায়ন করা হয়েছে।
এর আগে একই অভিযোগে অভিযুক্ত তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সিভিল শহিদুল আফরোজ সিএএবিতে যোগদান করেন। তিনি বর্তমানে প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন করছেন।
দুর্নীতির মামলায় আরেক অভিযুক্ত সহকারি প্রকৌশলী ইএম ভবেশ চন্দ্র ফুল পেনশন নিয়ে অবসরে গেছেন। যা চাকরি বিধিমালার লংঘন বলে অনেকে মনে করেন। দুর্নীতির মামলা বিচারাধীন থাকাবস্থায় কিভাবে তিনি ফুল পেনশন নিয়ে অবসরে গেলেন-এটা প্রশ্ন হয়ে দাড়িয়েছে।
কক্সবাজার বিমানবন্দরের ম্যানেজার হাসান জহির প্রদেয় উপসহকারি প্রকৌশলী বর্তমানে পদোন্নতি পেয়ে সহকারি প্রকৌশলী ইএম মাহমুদ হাসান সেলিমের এসিআর দেয়ার পরও তা মনের মতো না হওয়ায় তা গায়েব করে দিয়ে নতুন করে এসিআর প্রদান করেন সহকারি প্রকৌশলী ইএম ভবেশ চন্দ্র- যা তদন্ত করলেই বের হয়ে আসবে। তখন প্রকৌশলী ভবেশ চন্দ্র ইএম-৩-এ কর্মরত ছিলেন।
কয়েকদিন আগে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে রানওয়ের লাইটিং বন্ধ হয়ে বিমান উড্ডয়ন-অবতরণ বন্ধ হয়ে যাবার নেপথ্যে ২০১৫ সালে ৩ কোটি টাকার রানওয়ের লাইটিং সিস্টেম কাজে আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবল না বসিয়ে কোনরকম জোড়াতালি দিয়ে কাজ শেষ করে ঠিকাদারকে বিল প্রদান করা হয়। এ ঘটনায় ভবেশ চন্দ্র ছাড়াও আরো ৪ প্রকৌশলী এর সাথে জড়িত বলে জানা যায়। তদন্ত করলে থলের বিড়াল বের হয়ে আসবে।
সৈয়দপুর বিমানবন্দরে এ ঘটনার পর সিভিল এভিয়েশনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ক্যাবল নষ্টের স্বীকার করেছেন।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
