স্টাফ রিপোর্টার : সিভিল এভিয়েশন ট্রেনিং সেন্টারে মনগড়া অবৈধ পদ‘ কেয়ারটেকার’ পদে দীর্ঘদিন বহাল থাকার পর অনেকটা বেপোরোয়া হয়ে ওঠেছে, সিকিউরিটি গার্ড থেকে নিরাপত্তা অপারেটর আব্দুর রাজ্জাক। তার আমলে দুই দুইজন অধ্যক্ষ বিদায় নিলেও রাজ্জাক বহাল। তার টিকিটিও কেউ স্পর্শ করতে পারছে না॥ সিএএবির ৩ দফা তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হবার পর সদ্য বিদায়ি অধ্যক্ষ ওয়াহিদুর রহমান তাকে আগলে রেখেছেন। সাবেক অধ্যক্ষ মান্নান সাবের যুগ পার করেছে আন্ঞলিকতার দোহাই দিয়ে, বর্তমান অধ্যক্ষ প্রশান্ত বাবুর সময়েও নাকি রাজ্জাক ঘোষণা দিয়েছেন – আমাকে এখান থেকে সরায় এমন সাধ্য কার?
রাজ্জাকের এ আস্ফালন কার্যকর হচ্ছে, তাকে সিএটিসি থেকে এখনও সরানো হয়নি, মহিলা নিরাপত্তা সুপার রুনু তাকে আগলে রেখেছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে, ব্যবস্থা নিচ্ছেন না পরিচালক!
খোজকবর নিয়ে জানা যায়, নিরাপত্তা সুপার রুনু শাহজালালে ৫শ’ টাকা একযাত্রীর থেকে নেয়ার সময় এফসেক তাকে হাতেনাতে ধরে ফেল্ েমুচলেকা দিয়ে পার পার। পরে তাকে সিএটিসিতে বদলি করা হয়। তার জামাই আব্বাস সদর দপ্তরে কর্মরত এক সদস্যের দপ্তরে কর্মরত।
এ ব্যাপারে পরিচালকের সাথে কয়েক দফা যোগাযোগ করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অফিসশিয়াল কেনাকাটায় অনিয়ম- দুর্নীতি, ডিউুিট রোস্টার বাণিজ্য, বিভিন্ন পালায় কর্মরত গার্ডরা ডিউটি না করার পরও তাদের হাজিরা খাতায় সই করে দেয়া, ঠিকাদারদের থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়ে পণ্য না কিনে তা আত্মসাৎ করা- ইত্যাকার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলেও তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। গত বছর অফিসের ইলেকট্রিক ফ্যান, আলমারি বিক্রি, একজন পিয়নের থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়া, অফিসের ড্রাম-বালতি এধার-ওধার করাসহ নানা অভিযোগে দুই দফা তদন্তে দোষী- অধ্যক্ষ বরাবর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবার পরও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। গার্ড বাতেন মোল্লার ডিউটি রোস্টার পরিবর্তনের জন্য ৫ হাজার টাকা দাবি করে বলে অভিযোগ ওঠেছে।
এ দিকে ৮ কম্পিউটার কেনাকাটায় অনিয়মের জন্য পিএ জাহাংগিরকে করোনাকালিন সময়ে সিলেট বদলি করা হলেও রাজ্জাক এখনও বহাল।
এবার আবার একজন নিরাত্তাকর্মী অসুস্থতার জন্য দীর্ঘসময় হাসপাতালে থাকার সময় তার ব্যক্তিগত আলমারি ভেংগে প্রয়োজনীয় জিনিষপত্র, ফাইলপত্র তছনছ করার অভিযোগ ওঠেছে। ৩ জন নিরাপত্তা সুপার,বর্তমানে নতুন পদ সহকারি নিরাপত্তা কর্মকর্তা সিএটিসিতে কর্মরত থাকার পর অধ্যক্ষ নাকি এদের ওভারটেক করে গার্ড রাজ্জাকের কথায় কান ভারি করে প্রশাসন চালাচ্ছেন। নিরাপত্তা সুপারদের থোরাইকেয়ার করা হচ্ছে।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
