স্টাফ রিপোর্টার : সিভিল এভিয়েশনের জেলখাটা প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান সেলিমের এসিআর নিয়ে নানা কথা শোনা যায়। কক্সবাজার বিমানবন্দরে কর্মরত থাকাবস্থায় তার এসিআর দেন ওই বিমানবন্দরের সাবেক ম্যানেজার হাসান জহির। কিন্ত সেই এসিআর মনোপুত না হওয়ায়, পুয়র এসিআর হওয়ায় তা ফাইল থেকে হাওয়া হয়ে যায়। পরে ইএম বিভাগের ডিভিশন-৩-এর এক প্রকৌশলী তার এসিআর দেন। বিষয়টি তদন্ত করলেই থলের বিড়াল বের হয়ে আসবে।
ডিভিশন-৩-এ সেই প্রকৌশলীর দেয়া এসিআর প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান সেলিম কাজে লাগিয়ে তার পদোন্নতি বাগিয়ে নেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।
পদোন্নতি প্রাপ্ত প্রকৌশলী সেলিম সিএএবির সদস্য প্রশাসন, সরকারের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তার নাম ভাংগিয়ে চলছেন বলেও জানা যায়। ওনার আর্শীবাদ কাজে লাগিয়ে পদোন্নতি বাগিয়ে নিয়েছেন- এমন কথাও সিএএবিতে ভেসে বেড়ায়। তবে সদস্য প্রশাসন আর প্রকৌশলী সেলিমের বাড়ি একই এলাকায়, সেত্রে আন্ঞলিকতার টান থাকতে পারে।
প্রকৌশলী সেলিমের বিরুদ্ধে শিক্ষা সনদ জালিয়াতির তদন্ত করে সিএএবি প্রশাসন। প্রতারনার মামলায় জেলখাটার তদন্ত করে সিএএবি প্রশাসন।কিন্ত এতোকিছুর পরও দিব্যি চাকরি জীবনে পদোন্নতি দেয়া হচ্ছে।
এ ব্যাপারে জানতে প্রকৌশলী সেলিমের সেল ফোনে কলা করা হলেও রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
