
স্টাফ রিপোর্টার : সিএএবির সিএটিসিতে দীর্ঘদিন অবৈধ পদে( ‘কেয়ারটেকার’) কর্মরত থাকার সুবাধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন সিকিউরিটি গার্ড আব্দুর রাজ্জাক। ৩ দফা তদন্ত প্রতিবেদনে তাকে দোষি সাব্যস্ত করা হলেও প্রত্যেক পরিচালকই তাকে আগলে রেখেছেন। বর্তমান সংখ্যালঘু পরিচালকের আমলে তাকে সিএটিসি থেকে বদলি করা হলেও তাকে পদ না থাকলেও পদাবনতি করে সিএটিসিতে-ই নিরাপত্তা রক্ষী হিসেবে শিফটিং ডিউটিতে নিয়োজিত করেছেন। অথচ তাকে কিছুদিন আগে নিরাপত্তা গার্ড থেকে নিরাপত্তা অপারেটর করা হয়েছে। কিন্ত সিএটিসিতে নিরাপত্তা অপারেটর হিসেবে ডিউটি করার ক্ষেত্র নেই।
এ দিকে নিরাপত্তা অপারেটর আব্দুর রাজ্জাককে সিএএবির প্রশাসন থেকে দাপ্তরিক পত্রে শাহজালাল বিমানবন্দরে বদলি করা হলেও তাকে রিপ্লেজমেন্ট করা হয়েছে সিএটিসিতে।
তাহলে কোন খুটির জোরে ৩ দফা তদন্তে দোষি সাব্যস্ত হবার পরও নিরাপত্তারক্ষী/নিরাপত্তা অপারেটর রাজ্জাককে প্রশাসনিক শাস্তি দেয়া হলো না ? সিএটিসি থেকে বদলির পরও আবার সিএটিসিতে-ই কেন রিপ্লেজমেন্টের নামে আগলে রাখা হলো?
বিষয়টি জানতে সিএটিসির পরিচালক/অধ্যক্ষকে তার অফিসিয়াল মোবাইলে গত ২৫ অক্টোবর রাতে বার বার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে ইতিপূর্বে তিনি বলেছিলেন খোজখবর নিয়ে গার্ড রাজ্জাকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নিরাপত্তা অপারেটর সাজেদুলকেও সিএটিসিতে আগলে রাখা হয়েছে।
গার্ড আব্দুল জলিল আবার সিলেট থেকে সিএটিসিতেই ফিরে এসেছেন। গত ২৫ অক্টোবর তাকে এক মহিলা নিরাপত্তা সুপার/ সহকারি নিরাপত্তা কর্মকর্তার সাথে শলা-পরামর্শ করে গার্ডরুমে ডিউটি করতে দেখা গেছে।
শাহজালালে অর্ধশত নিরাপত্তাকর্মীর মানব পাচার কানেকশন : হযরত র. শাহজালাল বিমানবন্দরে অনেকে চাকরি শুরু থেকে কর্মরত(-যেমন কিউআর জিন্নাহ বা গার্ড মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ) , চট্রগ্রামের মিজানুর রহমান , আমিনুল ইসলাম ওরফে পাতলা আমিনুল, ইউসুফ, কাওসার মোল্লা, মহসিন,মনির ,আলমগীর, নি. অপা সাহাবুদ্দিনসহ প্রায় অর্ধশত নিরাপত্তাকর্মী শাহজালালে মানব পাচারের কানেকটেড বলে বিভিন্ন সময়ে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ওঠে এলেও তারা শাহজালালেই বহাল। একটি জাতীয় দৈনিকে সম্প্রতি এ নিয়ে হেড লাইন করেছে‘ শাহজালাল কন্ট্রাক্টেই সর্বনাস’।
এরা প্রত্যেকেই বহু বিত্তবৈভবের মালিক বনে গেছেন। এদের মধ্যে সোন পাচার করতে গিয়ে কয়েকজন ধরা পড়ে জেল খাটছেন, একজন জেলখানায় মারা গেছেন, ্ গার্ড মেজবা সোনা পাচার করতে গিয়ে ধরা পড়ে এখনও জেলে। গার্ড শাহজালাল সরকার ৮৫ স্বর্নের চেইনসহ কাস্টমস গোয়েন্দা জাকারিয়ার হাতে ধরা পড়ে জেল খাটলেও এখনও চাকরিতে বহাল। রেখা পারভিন চাকরি ছেড়ে গেছেন। সোনা রেজাউল সোনাসহ ধরা পড়ে জেলে। ডিডি প্রশাসন/. পরিচালক মানব সম্পদ-এর কথিত ভাগিনা হাকিম শাহজালালে সোনাসহ ধরা পড়লেও চাকরিচ্যুত করা হয়নি, সদর দপ্তরের ডেচপাচ শাখায় কর্মরত। সোনা রফিক এখনও বহাল, মিঠু চাকরি ছেড়ে কন্ট্রাক্টরি করছেন সেমসুর ভান্ডার রক্ষক আমির শাহজালালে মানব পাচার করতে গিয়ে তদন্তের মুখোমুখি হয়েছেন। কিন্ত বিমানের নিরাপত্তারক্ষী আমির, সংখ্যালঘু থেকে মুসলমান সুমন শাহজালালে মানব পাচারে সক্রিয় বলে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন।এই চক্রের সাথে বিমানসহ বিভিন্ন এয়ার লাইন্সের অসাধু কর্মকর্তা- কর্মচারি জড়িয়ে রয়েছেন-যাদের নামে গত বছর শতাধিক নাম তালিকাভুক্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে তালিকাভুক্ত করে এদেরকে শাহজালাল থেকে স্ট্রান্ডরিলিজ করার আদেশ দেয়া হয়েছিল। কিন্ত ওরা এখনও শাহজালালেই বহাল। এভসেক কতিপয় সদস্য, ইমিগ্রেশন প্রটোকল সদস্য, ম্যান পাওয়ার ডেক্স-এ কর্মরত কতিপয় সদস্য মানব পাচারে সহযোগিতা করছে বলে গোয়েন্দা সংস্থা খতিয়ে দেখেছে।
মানব পাচারে সিদ্ধহস্ত শাহজালালে একমাত্র ‘ ক্লিনার ইন্সপেক্টর’ ৪ বছর নিরাপত্তা সুপার হিসেবে সিএএবির সদর দপ্তরে কর্মরত থাকার পর বর্তমানে শাহজালালে চষে বেড়াচ্ছেন আর ওয়াকিটকি নিয়ে মহড়া দিচ্ছেন, প্রাইভেট কারযোগে শাহজালালে আসছেন-যাচ্ছেন কাওলার স্টাফ কোয়ার্টারে। মাঝেমধ্যে ওই গাড়ি দিয়ে বিদেশ ফেরত যাত্রীদের নিয়ে ট্রিপ মারছেন। কর্তব্যরত ম্যাজিস্ট্রেট গাড়িটি জব্দ করে জরিমানা আদায় করেছেন। হোটেল এয়ারপোর্টে মরা মুরগি ধরার মামলার বাদিও এই ক্লিনার ইন্সপেক্টর। তিনি একজন এমপির প্রটোকল করেন শাহজালালে, তিনি আবার ওই এমপির এপিএস পরিচয় দিয়ে থাকেন। একবার ওই এমপির পরিচয়ে একব্যক্তি শাহজালালে মুদ্রাসহ ধরা পড়ে।ক্লিনার পিয়ার আলি ক্লিনার ইন্সপেক্টরের সহযোগি
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
