বিশেষ সংবাদদাতা : সিভিল এভিয়েশনে অনিয়মই যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। এখানে সিনিয়রকে জুনিয়র করা নতুন নয়। কোর্ট কনডেম্প মামলা হলেও এ প্রক্রিয়া থেমে নেই। এবার আবার একজন নিরাত্তা অধীক্ষককে তিন তিনবার চাকরিচ্যুতির পরও চাকরি ফিরিয়ে দিয়ে ৫ নম্বর থেকে সিনিয়রটির তালিকায় ‘নাম্বারওয়ান’ করা হয়েছে।
এ নিয়ে সিএএবির চেয়ারম্যান বরাবর গত ৮ সেপ্টেম্বর আপত্তি পত্র’র আবেদন করা হয়েছে। কিন্ত এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে কোন প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
ওই নিরাপত্তা অধীক্ষকের নাম মাকসুদ তালুকদার। তিন তিনবার চাকরিচ্যুত্যির পর এবার তাকে চাকরি ফিরিয়ে দিয়ে সিভিল এভিয়েশনের ট্রেনিং সেন্টারে পদায়ন করা হয়েছে।
বিদেশগামি যাত্রী ডা. দীন মোহাম্মদের ৫ হাজার মার্কিন ডলার রেখে দেয়ার অভিযোগে ২০১৬ সালে শেষবার তাকে চাকরিচ্যুত্য করা হয়।.
এ ব্যাপারে নিরাপত্তা অধীক্ষক মাকসুদ তালুকদার জানান, ডা. দীন মোহাম্মদ বিনা ডিক্লারেশনে বিদেশে ডলার নেয়ার সময় আমার ডিউটি আওয়ারে আমি তা ধরে ফেলি। তৎকালিন শাহজালাল বিমানবন্দর পরিচালক জাকির হোসেনের সহায়তায় আমি ডলার ধরে তা কাস্টমসে জমা দেই। এ ঘটনায় পরবর্তীতে আমাকে চাকরিচ্যুত্য করা হয়। মামলা করে উচ্চ আদালতের রায়ে আমি চাকরি ফেরত পাই। আর ডা. দীন মোহাম্মদও তার অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
মাকসুদ তালুকদার জানান, আমি ২০০১ সালে চাকরিতে যোগদান করি। যারা সিনিয়রটি দাবি করছে তারা সবাই ২০০৩ সালে চাকরিতে যোগদান করে।
মাকসুদ তালুকদার অরো জানান, বিএনপি সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে ২০০৪ সালে আমি সাবেক অর্থমন্ত্রী মরহুম সাইফুর রহমানের মেয়ের জামাই’র থেকে কষ্টিপাথর জব্দ করি। এ জন্য আমাকে কর্তৃপক্ষ পুরস্কারস্বরূপ এওয়ার্ড প্রদান করেন।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
