বিশেষ সংবাদদাতা : সিভিল এভিয়েশনে একের ভিতর তিন বিরাজ করছে। একই ব্যক্তি ৩ চেয়ারে বসেছেন। তিনি সরকারের একজন প্রশাসন ক্যাডারের কর্তাব্যক্তি। প্রথমে তিনি পরিচালক প্রশাসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারপর সদস্য অর্থ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আর বর্তমানে সদস্য প্রশাসনের দায়িত্ব পালন করছেন। প্রশ্ন ওঠেছে সরকারের প্রশাসন ক্যাডারে আর কি কোন যোগ্য ব্যক্তি নেই, তাহলে কেন , কার স্বার্থে এক ব্যক্তিকে সিএএবিতে ৩ চেয়ারে বসিয়ে দেয়া হলো।
পিএ’র চেয়ারে বসে আছেন কেরানি হাফিজ। তার বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির লিখিত অভিযোগ করা হলেও তা ভেস্তে গেছে, একদিনের জন্যও হাফিজকে তার চেয়ার থেকে সরিয়ে দেয়া হয়নি।
এর অগে সদস্য প্রশাসন পদে কর্মরত সরকারের একজন অতিরিক্ত সচিবকে বার বার বদলি করা হয়েছিল।
এ দিকে ব্লাকবল পদে (যে পদটি সিএএবির ইতিহাসে বিরল ঘটনা, যে পদে যোগদান করবেন আর পেনশনে যাবার আগ পর্যন্ত তাকে বদলি হতে হবে না) বসে আছেন ডিডি প্রশাসন। তার বিরুদ্ধে গোয়েন্দা প্রতিবেদন আলোরমুথ দেখেনি। এবার তিনি নিয়োগ বানিজ্যের পায়তারা করছেন বলে সিএএবির কর্মচারিরা বলে বেড়াচ্ছেন। সব মিলে সিএএবিতে ‘কুমিল্লা ইমজ’ কাজ করছে।ক্রমশ
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
