বিশেষ সংবাদদাতা : সিভিল এভিয়েশনের অনিয়মই নিয়ম। এখানে পিয়নকে বসিয়ে দেয়া হয় পিএ’র চেয়ারে , ডলার চুরির বিভাগীয় মামলায় এক কর্মচারি নেতাকে তিরস্কার করা হয়, সিনিয়রকে ডিংগিয়ে জুনিয়রকে পদোন্নতি দেয়া- সে ক্ষেত্রে কোর্ট কন্টডেম্প মামলা হয় , এখানে জেনারেটর না বসিয়েই ঠিকাদারকে বিল দেয়া হয়, পরে তোপের মুখে জেনারেটর বসানো হয় , এ নিয়ে দুদকের মামলায় ৬ জন জেল খাটে , একজন থাকে ধরাছোয়ার বাইরে, অথচ তিনিও চেকে সই করেছেন। এখানে ৩ মাসের কথা বলে এভসেক বাহিনী আনলেও গত তিন বছরেও তারা বহাল, শাহজালালের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তার পদটি বিলুপ্ত করে নতুন অর্গানোগ্রাম পাস হওয়ার পথে- ঠিক এভাবেই চকিদার ঠিকাদারি কাজের ‘কার্য সহকারির’ কাজ করানো হচ্ছে। আরো ১০/১২ জন আছেন তারা কেউ ‘কার্য সহকারির’ পদের না। এর মধ্যে ‘প্লাম্ববার সহকারি’ রহিমের নামও রয়েছে।এরা সিডি-১/২-এ এবং ইএম-১/২-এর কার্য সহকারির কাজ করছে। এই ‘কার্য সহকারিরা’ জোর করে ঠিকাদারদের থেকে রীতিমত চাদা আদায় করছে। ঠিকাদাররা চাদা না দিলে প্রকৌশলীদের দিয়ে কাজের ‘গূণগত মান’ ভাল না বলে রিপোর্ট করিয়ে কাজের প্রত্যয়ন বন্ধ করে দিচ্ছে, এমবিএ করছে না। ফলে ঠিকাদাররা কাজ শতভাগ করেও বিল না পেয়ে সিডি-২-এ চকিদার এর কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে।
প্রশ্ন ওঠেছে চকিদারকে ‘কার্য সহকারির’ দায়িত্ব দিল কে ? ঠিকাদারি কাজের সাইট দেখভাল করার জন্য সিএএবির নিজস্ব কার্য সহকারি পদে জনবল রয়েছে। সিডি-১/২/৩ এবং ইএম-১/২/৩ বিভাগে কার্য সহকারি পদে জনবল থাকার পরও কেন চকিদার ,প্লাম্ববার তথা ২০ তম গ্রেডের লোক দিয়ে ১৫ তম গ্রেডের কাজ করানো হচ্ছে ? ইএম-১/২- এর প্লাম্ববার সহকারি আব্দুর রহিম কি কার্য সহকারির কাজ বা ঠিকাদারি কাজের সাইট বুঝে ? অথচ তাকে কার্য সহকারি পদে পদায়ন করা হয়েছে। চকিদার সিডি-২-এর কার্য সহকারি পদে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
প্রশ্ন ওঠেছে কার নির্দেশ ২০ তম গ্রেডের লোক দিয়ে ১৫ তম গ্রেডের কার্য সহকারির কাজ করানো হচ্ছে? এটা কি প্রশাসন থেকে তাদেরকে বদলি করেছে নাকি প্রকৌশলীদের পছন্দ মতো তাদের নিজস্ব লোক দিয়ে কার্য সহকারির কাজ করানো হচ্ছে।
