সিভিল এভিয়েশন : প্রতারণা, অর্থ আত্মসাত, মামলা ,জেল : অতপর পদোন্নতি : প্রকৌশলী সেলিমের খুটির জোর কোথায় ?

বিশেষ সংবাদদাতা : সিভিল এভিয়েশনে অনিয়মই যেন নিয়ম। এখানে যেমন সিনিয়রকে ডিংগিয়ে জুনিয়র করা, আর এ জন্য সংস্থার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কোর্ট কনটেম্প মামলা করা হয়, রাজস্ব খাতে আনার দেড় বছরের আগের যোগদানের তারিখ থেকে সিনিয়র কাউন্ট করা হয়- এ ক্ষেত্রে সাবেক জনপ্রশাসন সচিবের আদেশকে থোরাইকেয়ার করা হয়। এবার আবার ইএম বিভাগের প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান সেলিম প্রতারণা, অর্থ আত্মসাত ,মামলায় ২৩ দিন জের খাটার পরও তাকে চাকরিচ্যুত্য করা হয়নি। তার বিরুদ্ধে সিএএবির প্রশাসন থেকে সহকারি পরিচালক ( প্রশাসন) গত ১৫ ডিসেম্বর/২০১৯ আবিদুর রহমান সৈয়দপুর বিমানবন্দর ব্যবস্থাপকের মতামত চেয়ে দায়সারা গোছের একটি দাপ্তরিক চিঠি জারি করেন। এবার প্রতারণা- অর্থ আত্মসাতের পুরস্কার হিসেবে তাকে পদোন্নতি দিয়ে ঢাকায় নিয়ে এসে ইএম-১ বদলি করে শাহজালাল বিমানবন্দরের মতো কিপয়েন্টে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এ দাপ্তরিক চিঠির অনুলিপি সদস্য ( প্রশাসন) এবং পরিচালক (প্রশাসন)কেও দেয়া হয়েছে।
এই প্রকৌশলীই ( সেলিম) কক্সবাজার বিমানবন্দরে ৬০ লাখ টাকার এসি কেলেংকারি সাথে জড়িত থাকলেও তাকে প্রশাসনিক কৌশলে কক্ববাজার বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপর বিমানবন্দরে একটি নিদিষ্ট তারিখে বদলি করে তাকে সেইভ করা হয়েছে বলেও শোনা যায়। এ ক্ষেত্রে কলকাঠি নেড়েছে দুর্নীতির মামলায় জেলখাটা সাবেক সহকারি প্রকৌশলী ভবেশ চন্দ্র রায়। আর এ ক্ষেত্রে ষোলকলা পূর্ন করেছেন দুর্নীতির দায়ে বরখাস্তকৃত সাবেক প্রধান প্রকৌশলী সুধেন্দ বিকাশ গোস্বামি।
প্রকৌশলী সেলিমের পরিবারের কয়েক সদস্যই প্রতারণার মামলায় জেল খেটেছেন বলে এক অভিযোগে জানা যায়। প্রকৌশলী সেলিমের বিরুদ্ধে জাল শিক্ষা সনদে চাকরি করার অভিযোগও আমলে নিচ্ছেন সিএএবির প্রশাসন। যশোহর শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি বোর্ডে চিঠি চালাচালি করলেও তা থেমে আছে। আকাশ নীল নামে ফেজবুক খুলে প্রকৌশলী সেলিম বিভিন্ন ডংগে ছবি পোস্ট করেছেন। আরো বিস্তারিত পরের কিস্তিতে-