বিশেষ সংবাদদাতা : সিভিল এভিয়েশনে ৪২ বছরে সহকারি প্রকৌশলী আাছালত হোসেন খানের চাকরি , ১৬ বছরে রাজস্ব খাতে স্থায়ীকরন করা হয়েছে। ২০১০ সালে চাকরি হলে তিনি ২০২৮ সালে পিআরএলএ গেলে চাকরি বয়স হয় মাত্র ১৮ বছর। তাহলে তিনি কি ১৮ বছরে পিআরএলএ যাবেন নাকি ৬০ বছরে পিআরএলএ যাবেন। কোনটি সঠিক তা সিভিল এভিয়েশন কর্তৃৃপক্ষ বলতে পারবেন।
এ দিকে জনপ্রশাসন সচিবের দাপ্তরিক আদেশকে বৃদাংগুলি দেখিয়ে ভুতাপেক্ষ তারিখ থেকে তাকে চাকরি স্থায়ী করে সিনিয়রটি দেয়া হয়েছে। ২০২৮ সালে তিনি পিআরএলএ যাবেন। এর মধ্যে পদোন্নতি পেয়ে হয়তো বা তিনি নির্বাহী প্রকৌশলীও হয়ে যাবেন। এ কাতারে আরো ৬ প্রকৌশলী রয়েছেন। একই প্রক্রিয়ায় তাদের চাকরি দেয়া হয়েছে। মজার ব্যাপার হলো এদের মধ্যে ২/১ জনের বর্তমান চাকরি পদবির সাথে চাকরির বিঙঘপ্তি কালিন পদের মিল নেই । কোন প্রকৌশলী তা উচ্চ আদালতের আদেশে ঠিকও করিয়ে নিয়েছেন। চাকরির পেপার বিঙ্ঘপ্তিতে চাওয়া হয়েছিল উপসহকারি প্রকৌশলী ইলেকট্রনিক্স , কিন্ত নিয়োগ দেয়া হয়েছে উপসহকারি প্রকৌশলী ইলেকট্রিক এন্ড মেকানিক্যাল পদে। বিস্তারিত পরের প্রতিবেদনে-
এ দিকে ৩৩ বছরে সহকারি প্রকৌশলী আবুবকর সিদ্দিকির চাকরির ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি। বলেছেন যথাযথ নিয়োগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ইন্টারভিউর মাধ্যমে আইন কর্মকর্তার মতামতের ভিত্তিতে আমাকে চাকরি দেয়া হয়েছে। তার সম্পর্কে সিএএবির তালিকাভুক্ত কয়েক ঠিকাদার জানান, প্রকৌশলী আবুবকর সিদ্দিক ঠিকাদারি কাজ বাবদ কোন ঘুষ নেন না।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
