বেবিচক : দেড়যুগের বেশি সময়ধরে সেমসুতে কর্মরত এডি গোলাম মুস্তফার নেতৃত্বে ‘এমটি’তে ৫ সদস্যের সিন্ডিকেড সক্রিয়: মেরামতের নামে লুটপাট

স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বেবিচকে প্রায় দেড়যুগ ধরে সেমসুর এমটির দায়িত্বে সহকারি পরিচালক গোলাম মুস্তফার নেতৃত্বে ৫ সদস্যের সিন্ডিকেড এমটিতে গাড়ি মেরামত; জ¦ালনি তেল কেনাকাটায় রামরাজত্ব করছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। এদের মধ্যে ১৫ আগস্টের বংগবন্ধুর ভাষণের মূল কারিগরও রয়েছেন। তার ভাষণের ব্যাপারে সাবেক ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ আপত্তি তুললেও কর্তৃপক্ষ তা আমলে নেয়নি। তাকেই প্রতিটি ১৫ আগস্টের বক্তার তালিকায় মূল বক্তা করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট্ সত্রে জানা যায়, এমটিতে কর্মরত দক্ষ টেকনিশিয়ান, ফোরম্যানদের ঢাকার বাইরে পোস্টিং দিয়ে অদক্ষ জনবলের দোহাই দিয়ে বেবিচকের পরিবহন পুলের গাড়িগুলো আওয়ামীদের গ্যারেজে গাড়ি মেরামতের নামে অর্থ আত্মসাত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ ওঠেছে। এর সাথে জড়িত সিন্ডিকেড সদস্যরা হচ্ছেন: আজিবর, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর , তার দায়িত্বে স্টোর রয়েছে সেই আ: মালেক, কামাল, মো. শাহআলম ভুইয়া ফোরম্যান, এই শাহআলম আবার পরিচালক প্রশাসনের গাড়ির চালক। আর এতে করে সে স্যারের প্রভাব বিস্তার করে থাকে। রবিউল আলম। দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে সিন্ডিকেড করে এরা এমটির সবকিছূ নিয়ন্ত্রণ করছে। এমটিতে পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি থাকা সত্বেও সব গাড়ি বাইরের গ্যারেজে মেইনটেনেন্স করে কর্তৃপক্ষের কোটি কোটি টাকা খরচ করাচ্ছে।এই সিন্ডিকেড কমিশন বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে দেড়যুগ যাবত। এদের অপকর্মের ব্যাপারে কেউ মুখ খুললে তাকে হয়রানির শিকার হতে হয়। পরিচালক প্রশাসনের গাড়ি চালকের মাধ্যমে তাদেরকে বদলি করে থাকেন। মো. শাহআলম ভুইয়ার পরিচালক প্রশাসনে তার একটি সিন্ডিকেড আছে,তাদের মাধ্যমে তাদেরকে প্রশাসনিকভাবে হয়রানি করে থাকে। কামাল এমটিডি সচিবালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সিভিল এভিয়েশনে আনা- নেয়ার জন্য দায়িত্ব পালন করে, তার সহযোগিতায় মন্ত্রণালয়ের অফিসারদের ম্যানেজ করে থাকে।