স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ বিমানের এয়ারপোর্ট সার্ভিসের উপব্যবস্থাপক গ্রাউন্ড সার্ভিস শামীমা পারভীন (পি-৩৬৫০৫) কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা এবং তা উর্ধতন কর্তৃপক্ষের তদন্তে ধরা পড়ায় তাকে শোকজ করা হয়েছে এবং ৭২ ঘন্টার মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। জবাব না দিলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার হুশিয়ারি প্রদান করা হয়েছে।
এ দিকে গত ৩০ মার্চ বলাকায় বিমানমন্ত্রীর সাথে বিমান কর্মকর্তাদের বৈঠক চলাকালে আওয়ামী দোসর কেবিন ক্রু আবীরের নেতৃত্বে ৪ ক্রু মন্ত্রীর কক্ষে অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করায় ৫ ক্রুকেও শোকজ করা হয়েছে। এরা হলেন আওয়ামী দোসর কেবিন ক্রু এবং কেবিন ক্রু ইউনিয়নের সভাপতি আবীর হাসান, ফ্লাইট পার্সার ফিরোজ মিয়া, ফ্লাইট পার্সার ওয়াসিক, ফ্লাইট স্টুয়ার্স আফরিন এবং রিয়া।
হঠাৎ মন্ত্রীর কক্ষে এ অনাকাংক্ষিত প্রবেশে মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিবৃত পরিস্থিতিতে পড়েন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। সরকারি প্রটোকলের ক্ষেত্রে এমন সাক্ষাৎ পূর্বানুমতি গ্রহণ বাধ্যতামুলক হলেও তা মানা হয়নি।
গত ২৪ মার্চ মহাব্যবস্থাপক এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস শাহনুর আহমদ এ শোকজ নোটিশ জারি করে ব্যাখ্যা তলব করেছেন।যার স্মারকনং ২৬/৮৩ তারিখ: ২৪-০৩-২০২৬ খ্রি:।
ঘটনার দিন গত ২৪ মার্চ শামীমা পারভীনের শাহজালাল বিমানবন্দরের হারানো ও প্রাপ্তি শাখায় ইনচার্জ হিসেবে ডিউটিতে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। কিন্ত তিনি ওই দিন তার ডিউটিতে শাহজালাল বিমানবন্দরের কর্মস্থলে কোন রকম ছুটি না নিয়ে বা কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে অননুমোদিতভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি পরিচালক গ্রাহকসেবা হারানো ও প্রাপ্তি শাখা পরিদর্শনে গেলে শামীমা পারভীনকে কর্মস্থলে উপস্থিত পাননি। পরবর্তীতে জানা যায়, শামীমা পারভীন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেখে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন।
উল্লেখ্য, শামীমা পারভীন আওয়ামী দোসর, তার স্বামী শাজাহানও আওয়ামী দোসর। সিনিয়কে ডিংগিয়ে শামীমা পারভীনকে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে এবং বিমানের ফরেন পোস্টিং (কুয়েত স্টেশনে) প্রদান করা হয়েছে। তার স্বামী শাজাহান আগে থেকেই কুয়েত স্টেশনে কর্মরত আছেন।
শামীমা পারভীন এখন বিএনপির হাইব্রীড নেত্রী সেজে গেছেন, এ সুবাধে তিনি প্রমোশনও বাগিয়ে নিয়েছেন, প্রাই্জ পোস্টিও পেয়েছেন বিমানের ফরেন স্টেশনে।
অথচ গত ১৫ বছর তিনি (শামীমা পারভীন) শ্রমিকলীগ করতেন। শ্রমিকলীগ সভাপতি মশিকুরের সাথে শামীমার বিভিন্ন ফটোসেশনে ছবি তুলেছেন। নির্বচনের সময় মশিকুরের সাথে তিনি কানে কানে কথাও বলছেন -এমন ছবি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো। তারা স্বামী-স্ত্রী শেখ মুজিবের মৃত্যু বার্ষিকীতে ১৫ আগস্ট শোক অনুষ্ঠানও করেছেন, জন্মদিনে কেক কেটেছেন। অথচ তিনি এখন বিএনপির হাইব্রীড নেত্রী।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
