ডেস্ক রিপোর্ট: সারের লাইসেন্স দেওয়াকে কেন্দ্র করে উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু। এতে তিনি লিখেছেন, কে কোথা থেকে কত পারসেন্ট টাকা নেয় তা আমি জানি। এদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে চাই নাই। শুক্রবার দুপুরে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে তিনি এই পোস্ট দেন।
পোস্টে এমপি মাজেদ অভিযোগ করেছেন, সারের লাইসেন্স দেওয়ার নামে অনৈতিক লেনদেন ও আওয়ামী লীগের লোকদের সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। সারের লাইসেন্স নিয়ে বিভিন্ন মানুষ টাকা দিতে চায়, আমি সেগুলো বাদ দিয়েছি। ঈশ্বরগঞ্জে এক টাকার অনৈতিক সুবিধা আমি নিই না, কোনোদিন নেবও না।
সরিসা ইউনিয়নে লাইসেন্স বণ্টনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সরিসা ইউনিয়নে এমন লাইসেন্স যখন আমাদের ত্যাগী লোকের বাইরে যায় আর ফ্যাসিস্টের লোক টাকা নিয়ে ঘোরা লোভী মানুষ যখন সবাইকে ডিঙিয়ে লাইসেন্স পায়, তখন উপজেলা ও জেলার সততা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি লেখেন, আমার কাছে তার পক্ষে ইনিয়ে বিনিয়ে কথা বলার কারণ খুঁজে পাই। আমি সব জানি, এদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে চাই নাই। কে কোথা থেকে কত পারসেন্ট টাকা নেয় তা আমি জানি। যতক্ষণ এর অফিশিয়াল উত্তর না পাব, ঈশ্বরগঞ্জে কেউ কোনো মনোনীত লোক সারের লাইসেন্স নেবে না।
ক্ষোভ প্রকাশ করে সংসদ সদস্য আরও বলেন, আমাদের লোকেরা মামলা, হামলা খাবে আর আপনারা পয়সার বিনিময়ে সারের লাইসেন্স দেবেন তা হবে না। আমরা নিজের টাকায় থানায় গাড়ি কিনে দেব, আর আপনারা ফ্যাসিস্টকে সাপোর্ট করবেন তা হবে না।
পোস্টের শেষ অংশে প্রশাসনের শুদ্ধি অভিযানের দাবি জানিয়ে এমপি লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু লিখেছেন, কিসের রাজনৈতিক নেতাদের শুদ্ধি করবেন। সবার আগে প্রশাসনের লোকদের অপারেশন ক্লিন হার্ট চালানো দরকার।
