চীন সফরে পাক প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মোদির করমর্দন

অান্তর্জাতিক ডেক্স : সাংহাই সহযোগিতা সংগঠন বা এসসিও’র সম্মেলনে পাকিস্তানের নতুন প্রেসিডেন্ট মামনুন হুসেনের সঙ্গে করমর্দন করেছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী  নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি সৌজন্যমূলক কথাবার্তা সহ হেসে ওঠতেও দেখা গেছে তাদের। শিগগিরই এসসিও’র অন্যান্য দেশের সঙ্গে মিলে যৌথভাবে একটি সামরিক অনুশীলনে অংশ নিতে যাচ্ছে দেশ দু’টি। এ খবর দিয়েছে দ্য ডন ও আনন্দবাজার পত্রিকা।

খবরে বলা হয়, ভারত ও পাকিস্তান এসসিও’তে পূর্ণ সদস্য হিসেবে যোগ দেয়ার পর এটাই সংগঠনটির প্রথম সম্মেলন। এই প্রথমবার সদস্যদেশ হিসেবে সম্মেলনে অংশ নিয়েছে পাকিস্তান ও ভারত। এর আগে দেশ দু’টি সম্মেলনে পর্যবেক্ষক দেশ হিসেবে থাকতো।

এইবারের সম্মেলনে অংশ নিয়ে দুই নেতা তাদের মধ্যকার বৈরিভাব কিছুটা দূর করেছেন। এর আগে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাক রাষ্ট্রপ্রধানদের মুখোমুখি হলেও মুখ ঘুরিয়ে থেকেছেন মোদি। কিন্তু এবার তেমনটা করেননি। পাক- প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বেশ নম্র আচরণ করতেই দেখা গেছে মোদিকে।

মোদি ও মামনুন হোসেনকে সৌজন্যমূলক কথা বলতে দেখা গেছে। করমর্দন করতেও দেখা গেছে তাদের। এছাড়া সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা প্রশ্নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করল ভারত ও পাকিস্তান। তবে পৃথকভাবে কোন দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসেননি তারা।

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট মামনুন হুসেনকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাস প্রশ্নে সরব হয়েছে চীন-সহ এসসিও’র  অন্য দেশগুলোও। চীনা প্রেসিডেন্ট সি জিনপিং বলেন, গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক এবং আঞ্চলিক বিষয়গুলি নিয়ে এসসিও’র বৈঠকে গভীর আলোচনা হয়েছে। মত বিনিময় হয়েছে। সমস্ত সদস্য দেশই সন্ত্রাসবাদ, চরমপন্থা এবং মাদক চোরাকারবারের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে কাজ করার কথা বলেছে।

দুই নতুন সদস্য রাষ্ট্র ভারত এবং পাকিস্তানকে স্বাগত জানিয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট বলেছেন, শীতল যুদ্ধের সময়কার মানসিকতা আমাদের বর্জন করতে হবে। একটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তার যুক্তিতে অন্য রাষ্ট্রগুলিকে বিপদের মুখে ফেলা চলবে না।

নরেন্দ্র মোদি বলেন, আমরা এমন একটা সময়ে পৌঁছেছি যেখানে প্রত্যক্ষভাবে এবং বৈদ্যুতিন মাধ্যমে পারস্পরিক যোগাযোগ ভূগোলের সংজ্ঞাটাই বদলে দিচ্ছে। ফলে প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোটা এখন আমাদের অগ্রাধিকারের মধ্যে পড়ছে। বক্তৃতায় একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন মোদি।