স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা কাস্টমস হাউজের কুরিয়ার শুল্কায়ন গেট দিয়ে পাচারের সময় গোয়েন্দা অভিযানে ৯৬ স্বর্নের বার জব্দ ঘটনায় এসিএস খাচার মালিক মামুন পালিয়ে গেছে সিএন্ডএফ মালিক শরিফ ওরফে ব্লাক শরিফ নয়। সিএন্ডএফ মালিক শরিফ প্রকাশ্যেই ঘুরে বেড়াচ্ছে।গত ২ মার্চও এনবিআরে গেছেন বলেন তিনি নিজেই জানান।
কিভাবে ৯৬ স্বর্নের বার পাচার হচ্ছিল আর ডেলিভারি পয়েন্টে তা ধরা গেল- তা রহস্যজনব। এটা কি ভাগোবাটোয়ারাজনিত কোন বিষয় নাকি গোয়েন্দারা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় তা অবশ্য জানা যায়নি।তবে মাঝেমধ্যেই কুরিয়ারে এ ধরনের অভিযান চলে এবং কোটি কোটি টাকার পণ্য আটক করা হয়। এর আগে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের অভিযানে কয়েক কোটি টাকার পণ্য ধরা খায়।
এসি-ডিসিরা কি তদারকি করেন তাও খতিয়ে দেখা উচিত বলে অনেকে মনে করেন। বেড়ায় ক্ষেত খায় কি-না –তাও আভ্যন্তরীন তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে অনেকে মনে করেন। এ ধরনের অতীতের ঘটনায় কুরিয়ারের একজন মহিলা এসিসহ সব স্টাফকে একযোগে বদলি করা হয়। এই কুরিয়ারে শ্যামল বাহিনী ফিল্মি স্টাইলে ৩০ কোটি পণ্য ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটে। এরপরও কুরিয়ারে অপরাধ তৎপরতা বন্ধ হয় না। ১৭ জন ব্যবসায়িকে কুরিয়ারে নিষিদ্দ করা হলেও তারা আবার বহাল। যার পেপারস গ্রীনে ৯৬ স্বর্নের বার পাচার হচ্ছিল -সেই রাজস্ব কর্মকর্তা খবির উদ্দিন এখনও তার পুরনো কর্মস্থলেই বহাল। রহস্যজনক কারণে তাকে হাউজ থেকে বদলি করা হয় না।
এ দিকে এসিএস খাচার মালিক এই মামুন নাকি উত্তÍরায় একাধিক বাড়ি-ফ্লাটসহ বহু বিত্তবৈভবের মালিক। এসির রুমে নাকি অবাধ যাতায়াত করতেন।ৃ
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
