ঢাকা কাস্টমস হাউজ: প্রকাশিত সংবাদ এবং মরিয়ম এন্টারপ্রাইজের কর্নধারের বক্তব্য

স্টাফ রিপোর্টার : গত ২৭ অক্টোবর একুশে বার্তার অনলাইন সংস্করণে ‘ঢাকা কাস্টমস হাউজ : একদিনে ৮৭৫ পেপারসে পণ্য খালাস’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদে সিএন্ডএফ এজেন্ট মরিয়ম এন্টারপ্রাইজের কর্ণধার বেলায়েত হোসেন মেইলে এবং সরকারি ডাকে প্রতিবাদ প্রেরণ করেছেন। প্রতিবাদলিপিতে তিনি বলেছেন, প্রকাশিত সংবাদের কিছু অংশে আমাকে নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যা মারাত্মক অপরাধ বলে ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবাদ প্রকাশের অনুরোধ করেছেন তা না হলে তিনি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবেন বলে জানিয়েছেন। একদিনে ৮৭৫ পেপারসে পণ্য খালাসের বিষয়টি সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন। আবার তিনি বলেছেন শুল্ক কর পরিশোধ করার বিষয়টিকেও বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। একটি সফটওয়ারের নাম উল্লেখ করে প্রিপেইড একাউন্টের মাধ্যমে প্রতিটি বিল অব এন্টির শুল্ক কর প্রিপেইড একাউন্ট হতে সরকারি কোষাগারে পরিশোধ করা হয় বিষয়টি সবার জানা। প্রতিটি পেপারসের জন্য আলাদা করে ব্যাংকে সরাসরি টাকা জমা দিতে হয় না।
এ ক্ষেত্রে তিনি ৮৭৫ পেপারসে পণ্য খালাসের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন আবার অন্য ক্ষেত্রে তিনি বিল অব এন্ট্রির শুল্ককর পরিশোধের কথা পরোক্ষভাবে স্বীকার করেছেন। তবে তিনি বিল অব এন্ট্রি নম্বর, হাউজ নম্বর উল্লেখ করেননি , কতো টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছেন- তাও তিনি উল্লেখ করেননি। তিনি কি ৮৭৫ পেপারসে পণ্য খালাস করেছেন , না তার চেয়েও কম পেপারসে পণ্য খালাস করেছেন , না কোন পেপারসে উল্লেখিত তারিখে ( ১৮ অক্টোবর/২০) তিনি আদৌ কোন পণ্য খালাস করেননি- তার ব্যাখ্যা তিনি পরিষ্কার করে প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করেননি।
০৩ এসির সাথে তার সুসম্পর্ক নয়- সকলের সাথে সুসম্পর্কের কথা তিনি স্বীকার করেছেন- এটা তার ব্যবসার ভাল দিক।সাবেক এক কাস্টমস কমিশনারকে রাজউকের থার্ডফেইজে ভাল পজিশনে প্লটের ব্যবস্থার কথাও তিনি অস্বীকার করেছেন।