ফলোআপ : মন্ঞুরি আদেশ বাতিল করে সিএএবিতে সরকারি টাকায় ভ্রমণ : ৫ জনকে ডেকে জিঙ্ঘাাসাবাদ, চাদা আদায় অস্বীকার : মহিলা কোটায় নিয়োগ পাওয়া ফারজানার দাপটে সিএএবিতে প্রকৌশলী লান্ঞিত!

বিশেষ সংবাদদাতা : গত ২৩ সেপ্টেম্বর ‘একুশে বার্তা’র অনলাইন সংস্করনে ‘জাতির জনকের মৃত্যুবার্ষিকীর নাম করে দেশের বিভিন্ন দর্শনীয়স্থানে ভ্রমণের নামে সরকারি টাকা খরচ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর সিএএবি কর্তৃপক্ষের টনক নড়েছে।সিএএবির সদর দপ্তরে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ৫ জন কর্মচারিকে ডেকে জিঙ্ঘাসাবাদ করা হয়েছে বলে উপপরিচালক (প্রশাসন) জানিয়েছেন। তবে সংবাদের উৎস অনুসন্ধান করছে সিএএবি কর্তৃপক্ষ। সন্দেহজনকভাবে কয়েকজন কর্মচারির বদলির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। জাতির পিতার ৪৪তম শাহাদৎ বার্ষিকীতে তার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পনের নাম করে দেশের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে ভ্রমণে সরকারি টাকা খরচ করার বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে ভাবিয়ে তুলছে।সংস্থার চেয়ারম্যান কর্মকর্তাদের তলব করেছেন। প্রশ্ন ওঠেছে কেন সরকারি টাকা খরচ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাসব্যাপি ভ্রমণ করা হলো? এই ভ্রমণের ছবি ভ্রমণে অংশ নেয়া ২৯ জনের প্রায় সবাই তাদের ফেইজবুকে প্রকাশ করেছে, সংবাদ প্রকাশের পর কেউ কেউ তাদের ফেসবুক বন্ধ করে অন্য নামে ফেসবুক চালু করেছে। এদের মধ্যে কয়েকজনের ফেইজবুক থেকে ভ্রমণের ছবি সংগ্রহ করে মূল প্রতিবেদনের মতো ফলোআপ প্রতিবেদনেও প্রকাশ করা হলো। তবে ভ্রমণের জন্য ৩৫ হাজার টাকা চাদা তোলার বিষয়টি ব্যাখ্যা দিয়েছেন সিনিয়র স্টোর অফিসার এবং ডিডি প্রশাসন। তারা বলেছেন, ফরিদ নামের কর্মচারি ভ্রমণের ব্যাপারে ফাইলিং কাজ করে, কিন্ত চাদাবাজির ব্যাপারে তাকে ডেকে জিঙ্ঘাসাবাদ করলে সে তা অস্বীকার করেছে।
কে এই ফারজানা : মোছা ফারজানা ইয়াসমিন, গত জুনে সিএএবিতে বিশেষ কোটায় হিসাবরক্ষক পদে নিয়োগ পেয়েছেন। সিএএবির প্রশাসন বিভাগের কি পয়েন্টে বসে থাকা একজন কর্মকর্তার নেকনজড়ে ও আর্শীবাদে বিশেষ মহিলা কোটায় তার চাকরি হয়েছে বলে জানা গেছে। তার সাথে এই কোটায় শাহানাহিদা নামের আরেক মহিলার হিসাবরক্ষক পদে চাকরি হয়েছে। এই নিয়োগে মেধা তালিকা থেকে জনবল নিয়োগ না দিয়ে ‘পংগু কোটায়’ আরো দুজন পুরূষকে হিসাবরক্ষক পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এরা হলো : মামুন হোসেন ও আলতাব হোসেন। এদের সবার থেকে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে বলে কথা ওঠেছে। । এর আগে মেহেদী হাসান নামের আরেকজনকে হিসাবরক্ষক পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে , তিনি সৈয়দপুর বিমানবন্দরে কর্মরত। তাকে ঢাকায় সিএএবির সদর দপ্তরে অথবা সিডি-২-এ বদলি করার প্রক্রিয়া করা হচ্ছে।
সূত্রে জানা গেছে, এই ফারজানার সাথে মেহেদী হাসানের বিয়ে হয়েছে, সিএএবিতে এ ঘটনা জানাজানি হয়েে গেছে। ফারজানার চাকরির বয়স তিনমাস রানিং, এরই মধ্যে তাকে কাওলার স্টাফ কোয়ার্টারে অফিসাটরদের মতো ডরমেটরি-১ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণে তার নাম তালিকাভুক্ত করে তার প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা হয়েছে ,তার চাকরি স্থায়ীকরন করা হয়েছে, জাতির জনকের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিীকিতে টুংগিপাড়া গমনের নামে সরকারি টাকা খরচ করে ২৯ জনের টিমে তার নাম ০৯ নাম্বার ক্রমিকে আন্তর্ভুক্ত করে দেশের বিভিন্ন দর্শণীয় স্থানে পরিদর্শন করেছেন। তার পোস্টিং সিডি-৩-এ । এখানে কিছুদিন আগে একজন প্রকৌশলীর সাথে ফারজানা খারাপ আচরণ করেছেন বলে শোনা গেছে। আর এ সবই হচ্ছে প্রশাসনের কি পয়েন্টে বসে থাকা ওই কর্তাব্যক্তির খুটির জোরে। কারন ওই কর্তা ব্যক্তির সাথে তার বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে, তিনি ওই কর্তা ব্যক্তির শ্যালিকা বলেও সিএএবিতে চাউর হয়েছে। এবার শ্যালিকা এবং ওই কর্তার কথিত ভায়রা ভাইকে ঢাকায় কাছাকাছি পোস্টিংয়ের ব্যবস্থা করার প্রক্রিয়া চলছে।
নোট : পরিচালক প্রশাসনের পিএ হানিফ চাকরি দেয়ার নামে বিভিন্ন চাকরি প্রার্থীর থেকে ৭-৮ লাখ টাকা করে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার ব্যাপারে তাকে নাকি কতিপয় লোকজন উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে উত্তম-মধ্যম দিয়ে কিছু টাকা আদায় করে বাকি টাকা দেবার অংগিকার করায় তাকে ছেড়ে দেয়ার কহিনী নিয়ে বিস্তারিত