বিশেষ সংবাদদাতা : হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে সিভিল এভিয়েশনের নিরাপত্তা বিভাগের প্রধার ‘প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা’ বা সিএসও পদটি বিলুপ্ত কিংম্বা অকর্মণ্য করে রাখা হয়েছে। এ পদটি কি বিলুপ্ত- তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠেছে। এ নিয়ে কারো কোন মাথা ব্যথা নেই, কারণ সংস্থার প্রধান বিমান বাহিনীর একজন এয়ার ভাইস মার্শাল পদবির, যিনি ১/২ বছরের জন্য প্রেষণে সিএএবিতে আসেন আবার স্ব বাহিনীতে ফিরেও যান। তার পরে সেকেন্ড-ইন কমান্ডও প্রেষণে আগত বিমান বাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেন বা তার ওপরের পদমর্যাদায়। তার পরের পদটি সদস্য প্রশাসন। এ পদটিও সরকারের একজন যুগ্ম সচিবকে প্রেষনে বদলি করে পূরণকৃত। পরিচালক প্রশাসন পদটি মন্ত্রণালয়ের উপ বা যুগ্ম সচিব দ্বারা পূরণকৃত। নিরাপত্তা বিভাগের পরিচালক পদটিও সরকারের একজন যুগ্ম সচিব দ্বারা পূরণকৃত।এদেরকে মন্ত্রণালয় থেকে প্রেষণে সিভিল এভিয়েশনে বদলি করা হয়। এরা ১/২ বছরের জন্য সিএএবিতে আসেন আবার চলে যান। মাঝখান থেকে ছড়ি ঘুরান উপপরিচালক (প্রশাসন)। নিয়োগ, বদলি, কেনাকাটার টেন্ডার থেকে সবই করা হয়ে থাকে এই উপপরিচালকের নোটের সুপারিশে।
এমনই একজন উপপরিচালক ( প্রশাসন) দীর্ঘদিন যাবত সিএএবিতে বসে আছেন। তাকে অন্যত্র বদলি করা হয় না। তার বিরুদ্ধে গোয়েন্দা রিপোর্টও আমলে নেয়া হয় না। তার কথিত ভাগিনা হাকিম স্বর্নসহ শাহজালাল বিমানবন্দরে গ্রেফতার হলেও ওই উপপরিচারকের প্রশাসনিক ফাইলিং নেটে ভাগিনার শাস্তি হয় না। তিনি গতবার হজ মওসুমে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তালিকায় হজ গাইড হিসেবে সৌদি আরবে যান, হজও সম্পন্ন করেন, আর এ জন্য তার পিছনে সরকারি খরচ হয়েছে প্রায় ১৫ লাখ টাকা।
সিএএবিতে কর্মরত সাবেক সদস্য ( প্রশাসন) সরকারের যুগ্ম সচিব মো. হেমায়েত হোসেনের আমলে এই উপপরিচালক (প্রশাসনের) কর্মকান্ড নিয়ে নাটাই ধরে টান দেয়ার আগেই উল্টো এই উপপরিচালক (প্রশাসন) তার বিরুদ্ধে ফুসে ওঠেন, তার সম্পর্কে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন করাতে ভুমিকা রাখেন। এক সময় ওই যুগ্ম সচিব সিএএবি থেকে বিদায় নিলেও উপপরিচালক (প্রশাসন) এখনও বহাল তবিয়তে। ওই উপরিচালকের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা রিপোর্টও ধামাচাপা দেয়া হয়েছে। তিনি কুমিল্লার লোক বিধায় খোদ চেয়ারম্যানের কাছের লোক বলে নিজকে জাহির করে থাকেন।
শাহজালালের নিরাপত্তা বিভাগও চলছে তিনমাসের জন্য আসাা এফসেকের অধীনে। এ জন্য এই এফসেক সদস্যদের সিএএবির মোটা অংকের টাকা খরচ করে ট্রেনিং দেয়া হয়। কিন্ত এই এফসেক সদস্যরা বদলি হয়ে স্ব স্ব^ বাহিনীতে ফিরে যাওয়ার ফলে এতো টাকা খরচ করে ট্রেনিংয়ে সংস্থার কোন লাভ হচ্ছে না। ট্রেনিংয়ের জণ্য আরো ৮০ জনকে ওয়েটিংয়ে রাখা হয়েছে। এরা একাধিকবার ট্রেনিং নিলেও এদেরকেই বার বার ট্রেনিংয়ের তালিকায় রাখা হচ্ছে বলে কথা ওঠেছে। চলবে
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
