অফিসার রেঙ্কেও তালিকা থেকে ছিটকে পড়ে এবার যাচ্ছেন ক্লিনারের তালিকায় ‘হজ সহায়তা’ টিমে : দুর্নীতিতে অভিযুক্ত সহকারি হজ অফিসার আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে তদন্ত ‘মাঠেমারা’ : মামলা না করে দুর্নীতিবাজ সুহিলকে আগলে রেখেছেন পরিচালক হজ

বিশেষ সংবাদদাতা : আশকোনা হজ ক্যাম্পে দীর্ঘদিন যাবত কর্মরত দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত সহকারি হজ অফিসার মো.আাব্দুল মালেক অফিসার র‌্যাঙ্কে প্রশাসনিক টিম থেকে ছিটকে পড়ে এবার ক্লিলার তালিকায় ‘হজ সহায়তা’ টিমে সৌদি আরব যাচ্ছেন। এতে বুঝা যায়- লোভ কাকে বলে। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত মাঠে মারা গেছে। কেরানি সুিহলের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয় তদন্ত করে পৌণে ৩ কোটি টাকার দুর্নীতির খতিয়ান পেয়ে তার বিরুদ্ধে মামলার করার জন্য দুদক সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দাপ্তরিক চিঠি পাঠালেও দুই দুর্নীতিবাজ সহকারি হজ অফিসার আব্দুল মালেক এবং সুহিলের আপন শ্যালক দীন মোহাম্মদের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ের তদন্ত মাঠে মারা গেছে। এই দুজনের ব্যাপারে মন্ত্রণালয় রহস্যজনক কারণে নীরব।
এদিকে গত ২২ মে মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারি সচিব আরিফ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ ‘ একুশে বাতা’য় প্রকাশিত প্রতিবেদনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে আশকোনা হজ ক্যাম্পের দুর্নীতিবাজ কেরানি সুিহল মোহাম্মদ ফেরদৌসের ও তার স্ত্রী বিরুদ্ধে পৌণে ৩ কোটি টাকার দুর্নীতির উৎস পেয়ে মামলা করার জন্য সচিব , দুদক, পরিচালক হজ ক্যাম্পসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দাপ্তরিক চিঠি পাঠালেও গত দেড় মাসের তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়নি। মামলা না করে দুর্নীতিবাজকে বাচানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। আর ওএসডিকৃত কর্মচারি কেরানি সুহিল বাচার জন্য ঘাটে ঘাটে তদবির করছেন। তার ব্যাংক হিসাবও জব্দ করা হয়নি।
যুগ্ম সচিবও এ ব্যাপারে নীরব। কথা ওঠেছে যুগ্ম সচিব (হজ) দুর্নীতির মূল উৎপাটনে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে জোরালো ভুমিকা রাখছেন না।
এ দিকে আশকোনা হজ ক্যাম্পের পরিচালক যেমন মন্ত্রণালয়ের আদেশ লংঘন করে দুর্নীতিবাজ সুহিলের বিরুদ্ধে মামলা না করে তাকে আগলে রেখেছেন ঠিক তেমনি দুর্নীতিবাজ সুহিলের আপন ভাগিনা-ভাতিজাকে চাকরি দিয়ে দুর্নীতিকেই উৎসাহিত করছেন। বয়স টেম্পারিং করে রায়হানকেও চাকরি দিয়েছেন তিনি। এ ব্যাপারে তিনি গণমাধ্যমকে এড়িয়ে চলছেন।